Local Train Travel Tips: লোকাল ট্রেনে কীভাবে আরামে যাতায়াত করবেন?

Local Train Travel Tips: প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ লোকাল ট্রেনে ভরসা করেই অফিস, কলেজ বা ব্যবসার কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু ভিড়, গরম এবং বসার জায়গা না পাওয়া; এই সব সমস্যা প্রায় নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশেষ করে হাওড়া এবং শিয়ালদহ শাখার ট্রেনগুলিতে সকাল-বিকেলের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীরা কার্যত ঠাসাঠাসি অবস্থায় সফর করেন।

Advertisement
লোকাল ট্রেনে কীভাবে আরামে যাতায়াত করবেন? লোকাল ট্রেনে সহজে যাতায়াতের নিনজা টেকনিক।
হাইলাইটস
  • প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ লোকাল ট্রেনে ভরসা করেই অফিস, কলেজ বা ব্যবসার কাজে যাতায়াত করেন।
  • ভিড়, গরম এবং বসার জায়গা না পাওয়া; এই সব সমস্যা প্রায় নিত্যদিনের সঙ্গী।
  • হাওড়া এবং শিয়ালদহ শাখার ট্রেনগুলিতে সকাল-বিকেলের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীরা কার্যত ঠাসাঠাসি অবস্থায় সফর করেন।

Local Train Travel Tips: প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ লোকাল ট্রেনে ভরসা করেই অফিস, কলেজ বা ব্যবসার কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু ভিড়, গরম এবং বসার জায়গা না পাওয়া; এই সব সমস্যা প্রায় নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশেষ করে হাওড়া এবং শিয়ালদহ শাখার ট্রেনগুলিতে সকাল-বিকেলের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীরা কার্যত ঠাসাঠাসি অবস্থায় সফর করেন। তবে দীর্ঘদিনের নিত্যযাত্রীদের দাবি, কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে লোকাল ট্রেনের যাত্রা অনেকটাই আরামদায়ক করা সম্ভব। অনলাইন টিকিট কাটা থেকে শুরু করে সঠিক ট্রেন বেছে নেওয়া; একাধিক গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিচ্ছেন অভিজ্ঞ যাত্রীরা।

নিত্যযাত্রীদের একাংশের মতে, সবচেয়ে আগে যে বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার, তা হল টিকিট কাটার ঝামেলা এড়ানো। স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট না করে এখন অনেকেই অনলাইনে টিকিট কাটছেন। এর ফলে সময় যেমন বাঁচে, তেমনই ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও কম হয়। বিশেষ করে অফিস টাইমে এটি বড় সুবিধা বলে মনে করছেন যাত্রীরা।

কোন ট্রেন ধরবেন, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞ নিত্যযাত্রীদের মতে, সব সময় মূল স্টেশন থেকে আসা ভিড় ট্রেন না ধরে কিছুটা আগে ছাড়া ট্রেন ধরলে বসার সুযোগ বাড়ে। উদাহরণ হিসেবে অনেকেই বলছেন, কোন্নগর থেকে হাওড়া যেতে হলে সরাসরি ভিড় ট্রেনের অপেক্ষা না করে শেওড়াফুলি বা শ্রীরামপুর থেকে ছাড়া লোকাল ধরার চেষ্টা করা ভাল। কারণ সেই ট্রেনগুলিতে তুলনামূলক কম ভিড় থাকে এবং বসার সুযোগও বেশি মেলে।

ভিড় ট্রেনে দাঁড়িয়েও কিছু কৌশল কাজে লাগতে পারে। নিত্যযাত্রীদের মতে, ট্রেনে উঠেই দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকলে ধাক্কাধাক্কি এবং গরম দুটোই বেশি হয়। তার বদলে দুই সিটের মাঝের চ্যানেল অংশে দাঁড়ালে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। কারণ সেখানে সাধারণত পাখা থাকে এবং তুলনামূলক হাওয়া বেশি লাগে। পাশাপাশি ব্যাগ রাখারও কিছুটা জায়গা পাওয়া যায়। দীর্ঘ সফরে এটি বেশ কাজে দেয় বলে দাবি যাত্রীদের।

Advertisement

ট্রেনের কোন বগিতে উঠছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞ যাত্রীদের মতে, একদম সামনের বা পিছনের বগিতে ভিড় অনেক সময় বেশি হয়। কারণ অনেক যাত্রী দ্রুত স্টেশন থেকে বেরোনোর জন্য ওই দিকের বগি বেছে নেন। তাই মাঝামাঝি বগিতে উঠলে তুলনামূলক কম ভিড় পাওয়া যেতে পারে।

অনেক নিত্যযাত্রী আবার সময় নির্বাচনকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। সম্ভব হলে অফিস টাইমের একেবারে চূড়ান্ত ভিড়ের সময় এড়িয়ে কিছুটা আগে বা পরে ট্রেন ধরলে যাত্রা অনেক সহজ হয়। বিশেষ করে যাঁদের কাজের সময় কিছুটা নমনীয়, তাঁরা এই পদ্ধতি মেনে উপকৃত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

গরমের সময় জল সঙ্গে রাখা এবং ছোট ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শও দিচ্ছেন অভিজ্ঞ যাত্রীরা। বড় ব্যাগ নিয়ে উঠলে ভিড়ের মধ্যে চলাফেরা কঠিন হয়ে যায়। পাশাপাশি অন্য যাত্রীদেরও অসুবিধা হয়। তাই যতটা সম্ভব হালকা ব্যাগ ব্যবহার করাই ভাল বলে মত তাঁদের।

নিত্যযাত্রীদের মতে, লোকাল ট্রেনের ভিড় পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয়। তবে কিছু ছোট অভ্যাস এবং পরিকল্পনা যাত্রাকে অনেকটাই আরামদায়ক করে তুলতে পারে। প্রতিদিনের ধকলের মধ্যে এই ছোট ট্রিকগুলিই অনেক সময় বড় স্বস্তি এনে দেয়। 

POST A COMMENT
Advertisement