Mukesh Ambani র সারাজীবনের নেটওয়ার্থের ডাবল একদিনেই কামালেন Elon Musk

স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর ইলন মাস্কের সম্পদ এক দিনেই ১৬৪.৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। এই অঙ্ক ভারতের ধনীতম ব্যক্তি মুকেশ অম্বানির মোট সম্পদের প্রায় দ্বিগুণ।

Advertisement
Mukesh Ambani র সারাজীবনের নেটওয়ার্থের ডাবল একদিনেই কামালেন Elon Musk এক দিনেই ১৬৪.৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
হাইলাইটস
  • মুকেশ আম্বানিরই নেট ওয়ার্থের প্রায় দ্বিগুণ মাত্র একদিনেই বাড়ালেন ইলন মাস্ক।
  • স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হলেন।
  • মাত্র একটি ট্রেডিং সেশনে ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১৬৪.৮ বিলিয়ন ডলার।

ভারতের ধনীতম শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তাঁর ধনসম্পদ দেখেই মোটামুটি সবাই 'অক্কা' পান। এদিকে সেই মুকেশ আম্বানিরই নেট ওয়ার্থের প্রায় দ্বিগুণ মাত্র একদিনেই বাড়ালেন ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হলেন। মাত্র এক দিনের সম্পদ বৃদ্ধির অঙ্কে কার্যত হতবাক গোটা বিশ্ব।

তথ্য অনুযায়ী, ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে। তাঁর সম্পদের মূল উৎস এখনও টেসলা এবং স্পেসএক্স। স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর সংস্থার মূল্যায়ন ব্যাপক হারে বেড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের উপর।

মাত্র একটি ট্রেডিং সেশনে ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১৬৪.৮ বিলিয়ন ডলার। শতাংশের হিসাবে যা প্রায় ১৪.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি। ভারতের ধনীতম ব্যক্তি মুকেশ অম্বানির মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৮৭.৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মাস্ক এক দিনে যত সম্পদ বাড়িয়েছেন, তা আম্বানির মোট সম্পদের প্রায় দ্বিগুণ।

একই দিনে অবশ্য আম্বানির সম্পদও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৯৬৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু মাস্কের বিপুল সম্পদ বৃদ্ধির তুলনায় সেই অঙ্ক অনেকটাই মামুলি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আরও একটি পরিসংখ্যান ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। ভারতের মোট জিডিপি বর্তমানে প্রায় ৪.১৫ ট্রিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ভারতের মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশের সমান তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ।

কীভাবে ট্রিলিয়নেয়ার হলেন মাস্ক?
এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে প্রবেশ। গত ১২ জুন সংস্থাটি ন্যাসড্যাকে তালিকাভুক্ত হয়। রকেট, স্যাটেলাইট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা স্পেসএক্সের আইপিও থেকে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার তোলা হয়েছে বলে দাবি। বিনিয়োগকারীদের বিপুল আগ্রহই সংস্থার মূল্যায়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।

তালিকাভুক্তির আগে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হয়েছিল। কিন্তু বাজারে শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। শুধু স্পেসএক্সে তাঁর অংশীদারির মূল্যই প্রায় ৮৬৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়। টেসলা-সহ অন্যান্য সম্পদ যোগ করে তাঁর মোট সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে যায়।

Advertisement

বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় দীর্ঘ দিন ধরেই শীর্ষে রয়েছেন মাস্ক। তবে স্পেসএক্সের বাজারে আত্মপ্রকাশের পর তাঁর সম্পদ বৃদ্ধির গতি নতুন নজির গড়েছে। প্রযুক্তি ও মহাকাশ শিল্পে তাঁর সংস্থাগুলির ক্রমবর্ধমান প্রভাব ভবিষ্যতেও এই সম্পদের অঙ্ক আরও বাড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

POST A COMMENT
Advertisement