মাত্র ১ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে iPhone, মিথ্যে নয় খাঁটি সত্যি

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একজন দোকানদার মাত্র ১ টাকায় আইফোন বিক্রির দাবি করছেন। কিন্তু কীভাবে মাত্র ১ টাকায় আইফোন বিক্রি হতে পারে, তাও আবার কোনও রকম EMI ছাড়াই। ভাইরাল ভিডিওতে, দোকানদার ১ টাকায় আইফোন বিক্রির কথা বলছেন।

Advertisement
মাত্র ১ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে iPhone, মিথ্যে নয় খাঁটি সত্যিমাত্র ১ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে iPhone
হাইলাইটস
  • সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও।
  • একজন দোকানদার মাত্র ১ টাকায় আইফোন বিক্রির দাবি করছেন।
  • তবে দোকানির একটি শর্ত আছে।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একজন দোকানদার মাত্র ১ টাকায় আইফোন বিক্রির দাবি করছেন। কিন্তু কীভাবে মাত্র ১ টাকায় আইফোন বিক্রি হতে পারে, তাও আবার কোনও রকম EMI ছাড়াই। ভাইরাল ভিডিওতে, দোকানদার ১ টাকায় আইফোন বিক্রির কথা বলছেন। তবে দোকানির একটি শর্ত আছে। এই এক টাকার কয়েনটি হতে হবে অবশ্যই ১৯৭০ সালের। ভিডিওতে ওই দোকানদার ১৯৭০ সালের বিশেষ এক টাকার কয়েনটা দেখান। তাঁর দাবি ওই ১ টাকার কয়েন দিলেই একটি আইফোন তিনি ১ টাকার বদলে বিক্রি করতে রাজি।

কেন দোকানদার এই শর্তে রাজি হচ্ছেন?

আসলে এই ১ টাকার কয়েনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। শুধু এই দোকানদারই নন, অনেক মুদ্রা সংগ্রহকারী এবং মুদ্রা কেনা-বেচার ওয়েবসাইটও এই কয়েনটি কেনার জন্য ভালো দাম দিচ্ছে। এবার এই কয়েনটির পিছনের গল্প জেনে নেওয়া যাক। একইসঙ্গে জানুন, এইভাবে কয়েন বিক্রি করা বৈধ কিনা।

১৯৭০ সাল ও তার আশেপাশের বছরগুলি মুদ্রা তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই সময়ে কয়েনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল।  তাই এখন সেই সময়ের কয়েন খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। PCGS-এর তরফে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেই সময়ে বিশ্বব্যাপী নিকেলের ব্যাপক ঘাটতি দেখা যায়। 

১৯৬৯ সালের ২১ নভেম্বর টাইম ম্যাগাজিনে নিকেলের ঘাটতির বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে এক পাউন্ড নিকেলের দাম কয়েক মাস ধরে ৭.৭০ ডলার ছিল। যা মাত্র এক বছরে পাঁচগুণ বেশি।

ওই সময় মাত্র ২৯০০টি কয়েন তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে ভারত সরকার নিকেলের দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে এক টাকার মুদ্রা বাজারে না আনার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৭২ সালে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ২৫ এবং ৫০ পয়সার কয়েনের জন্য তামা-নিকেল ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

Advertisement

অর্থাৎ ১৯৭২ সালের আগে এই কয়েনগুলি ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ নিকেল দিয়ে তৈরি করা হত। এই কারণে ১৯৭১, ১৯৭২, ১৯৭৩ এবং ১৯৭৪ সালের কয়েনগুলিকে বিরল বলে মনে করা হয়। বাজারে এই ১০০ শতাংশ নিকেল কয়েনের মাত্র ৩২,০০০টি কয়েন রয়েছে। ফলে এই কয়েনগুলি এখন খুবই বিরল। 

১ টাকার ওই বিশেষ কয়েনের দাম কত?

এই কয়েনের দাম eBay সহ অনেক ওয়েবসাইটে অত্যন্ত বেশি রয়েছে। অনেক ওয়েবসাইটে এই কয়েনটি ২০,০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। eBay-তে একটি পোস্টে এর দাম ১,১৫০ ডলার উল্লেখ করা হয়েছেষ যার অর্থ এটি ১ লক্ষ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement