হায়দেরাবাদের এক হাউজিং সোস্য়াইটির নিরাপত্তারক্ষীমশার অত্যাচারে জেরবার হয়ে নিজের গায়েই মশারি জড়িয়ে নিলেন হায়দেরাবাদের এক হাউজিং সোস্য়াইটির নিরাপত্তারক্ষী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ওই নিরাপত্তারক্ষীকে দেখা গেছে কমপ্লেক্সের ভিতরে রাতের শিফটে ডিউটি করতে। মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠলে এই উপায় বাতলে নেন। চেয়ারে বসেই নিজের ওপর মশারি জড়িয়ে নেন ওই নিরাপত্তারক্ষী।
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্যাপকভাবে শেয়ার হচ্ছে, যার মধ্যে সুরজ কুমার বৌদ্ধ নামের একজন এক্স ব্যবহারকারীও রয়েছেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা নিরাপত্তারক্ষীদের কঠিন কর্মপরিবেশের বিষয়টি তুলে ধরেন-
Life of the security guard who lets you sleep peacefully, while he stays awake through the night, even under mosquito attacks.
— Manu🇮🇳🇮🇳 (@mshahi0024) April 16, 2026
12 hour duty, harsh conditions, and what do they earn?
Just 12000 to 14000 per month.
If they demand more rights, they are declared naxalites. pic.twitter.com/Nz8FcBboaW
অনেকেই নিরাপত্তারক্ষীদের বিচক্ষণতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন, সেখানে অন্যরা অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। অনেকের কাছে, এই মুহূর্তটি বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ও পরিকাঠামোগত ঘাটতির বিষয়টিও প্রকাশ্যে এসেছে।
একটি মন্তব্যে লেখা হয়, “বিদেশী দেশগুলো কীভাবে তাদের গৃহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ করেন, তা ভারতীয়দের শেখা উচিত। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত সোসাইটিগুলো যেন নিরাপত্তাকর্মীদের জন্য যথাযথ সুযোগ-সুবিধা দেয়, তা নিশ্চিত করা।”
নেটিজেনদের আরও অনেকে বলেন, বাড়িতে এবং কর্মক্ষেত্রে উভয় স্থানেই সহানুভূতির অভাব রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাঁরা আরও বলেন, সহানুভূতির উৎস হল পরোপকার। কিন্তু মূল্যবান গুণ হওয়া সত্ত্বেও প্রায়শই দুর্বলতা হিসেবে দেখা হয়। পরিস্থিতিকে “উদ্বেগজনক” হিসেবে বর্ণনা করে একজন ব্যবহারকারী বলেন, পরোপকারহীন একজন মানুষ আসলে মানুষই নয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে, এটি সেইসব মানুষদের দৈনন্দিন বাস্তবতার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে যারা রাতভর আবাসিক এলাকাগুলো সচল রাখেন। এর ফলে এমন সব উদ্বেগ সামনে আসছে যা সাধারণত লক্ষ্যই করেন না কেউ। যতক্ষণ না এই ধরনের মুহূর্তগুলো সেগুলোকে জনসমক্ষে আনতে বাধ্য করে।