Viral Video: 'নর্মদা দেবী'র জন্ম মাঝ নদীতে! জবলপুরে জলের উপর হেঁটে চলা মহিলার পরিচয় ফাঁস

গত কয়েকদিন ধরে একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে। ওই ভিডিওয় জলের উপর দিয়ে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল এক বৃদ্ধাকে। পরে তাঁকে সবাই 'নর্মদা দেবী' নামে পুজো দিতে শুরু করেন।

Advertisement
'নর্মদা দেবী'র জন্ম মাঝ নদীতে! জলের উপর হেঁটে চলা মহিলার পরিচয় ফাঁসViral Video

গায়ে সাদা শাড়ি। নদীর উপর দিয়ে হেঁটে চলেছেন এক বৃদ্ধা। এমনই একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সেই বৃদ্ধাকে দেবী ভেবে পুজোও শুরু হয়ে গিয়েছে। ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের। জানা গিয়েছে, ভাইরাল ভিডিওর ওই বৃদ্ধা হাঁটছেন নদীর উপর দিয়ে। ওই বৃদ্ধাকে 'নর্মদা দেবী' ভেবে পুজোও শুরু হয়ে গিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে নর্মদার ঘাটে এক বৃদ্ধা মহিলাকে দেখা যাচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মহিলার কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তেমনই একটি ভিডিওয় ওই বৃদ্ধাকে নর্মদা নদীর জলে হাঁটতে দেখা গিয়েছে। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় হইচই ছড়িয়ে পড়ে। শতাধিক লোক ওই মহিলাকে ধাওয়া করতে থাকে। তাঁরা দেবী হিসাবে পুজোও শুরু করে। এমনকি 'নর্মদা দেবী' নামে ডাকতেও শুরু করে।

'ভক্ত'দের ধাওয়া

ওই নারী যেখানেই যান, এলাকার লোকজন তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। কয়েকদিন ধরেই পুলিশ এ বিষয়ে খবর পাচ্ছিল। ভাইরাল ভিডিও দেখে এলাকার পুলিশ বৃদ্ধাকে খুঁজে বের করে।

আরও পড়ুন- গোয়ায় ডেস্টিনেশন ওয়েডিং, কনেকে বিমানবন্দরে রেখে পালিয়ে গেল বর; কারণ জানলে অবাক হবেন

মহিলা মানসিকভাবে অসুস্থ, অনেক দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন

পুলিশ ওই মহিলার সন্ধান পায়। জিজ্ঞাসাবাদে বৃদ্ধা জানান, তাঁর নাম জ্যোতি বাই (৫১)। তিনি নর্মদাপুরমের বাসিন্দা। পুলিশ জানতে পারে, ২০২২ সালে জ্যোতি বাই মে থেকে তাঁর বাড়ি থেকে নিখোঁজ। তাঁর ছেলে মায়ের নিখোঁজের বিজ্ঞাপন দিয়ে লিখেছিলেন, মা মানসিকভাবে স্থিতিশীল নন।

আরও পড়ুন- 'পুরুষাঙ্গ হওয়ার চেয়ে...', মেয়েদের টি-শার্টে ক্যাপশন লিখতে বললেন তসলিমা, ভাইরাল

নদীতে জল কম ছিল, কাপড় রোদে শুকিয়েছে

ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে জ্যোতি পুলিশকে জানিয়েছেন, নদীতে ওই জায়গায় জল কম ছিল। তাই অনেকে জল উপর দিয়ে হাঁটছি বলে ভেবে ফেলেছিলেন। বাস্তবে তেমনটা ঘটেনি। জামাকাপড় ভেজেনি কেন? জ্যোতির দাবি, রোদে তাড়াতাড়ি কাপড় শুকিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

পরিবারের কাছে জ্যোতি 

জবলপুরের পুলিশ সুপার সঞ্জয় আগরওয়াল জানান,'জ্যোতির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। ছেলে এসে মাকে নিয়ে গিয়েছে।ওঁর বাড়ি পিপারিয়া নর্মদাপুরমে।' সেই সঙ্গে তাঁর বার্তা,মানুষকে বিভ্রান্তিকর ভিডিও থেকে দূরে থাকতে হবে। কুসংস্কার ছড়ানো উচিত নয়।'

 

 

 

POST A COMMENT
Advertisement