scorecardresearch
 
উত্তরবঙ্গ

বন-রেল এর Super Co-ordination, তিন বছরে ট্রেনের ধাক্কায় হাতি মৃত্যু শূণ্য

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 1/7

গত তিন বছরে জঙ্গল ঘেরা ডুয়ার্সের রেলপথে ট্রেনের ধাক্কায় হাতি মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য। রেলদপ্তর এবং বনদপ্তরের সমন্ধয়ে এমনটা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি দুই দপ্তরের। ডুয়ার্সের রেলপথে ট্রেনের অনিয়ন্ত্রিত গতি এবং জঙ্গল পথে চালকদের অসাবধানতার কারণে একটা সময় ট্রেনের ধাক্কায় হাতি মৃত্যুর ঘটনা যেন রুটিন হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
 

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 2/7

ট্রেনের ধাক্কায় ধারাবাহিক ভাবে হাতি মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই রেল ও বনদপ্তর জরুরি বৈঠকে বসে সমস্যার সমাধান সূত্র খোঁজার চেষ্টা করতেন। আর সেই ধারাবাহিক বৈঠক থেকেই ধাপে ধাপে একের পর এক সমাধান সূত্রের হদিশ পেয়েছে রেল ও বনদপ্তরের কর্তারা। সেই সমাধান সূত্র থেকেই ডুয়ার্সের রেলপথে দত তিন বছর ধরে হাতি মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে।

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 3/7

রেল ও বনদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ডুয়ার্সের এই রেল পথে রেলের চালকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ, হাতির করিডোরে রেল ও বনদপ্তরের যৌথ নজরদারি, ওয়াকিটকিতে দুই দপ্তর এবং রেলের চালক ও গার্ডদের সাথে যোগাযোগ, দুই দপ্তরের কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ, 
সহ আরো একগুচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ায় হাতি মৃত্যু রোধ সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে দুই দপ্তরের কর্তারা।

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 4/7

একটা সময় এই রেলপথে ট্রেনের ধাক্কায় ধারাবাহিক ভাবে হাতি মৃত্যুর ঘটনায় ডুয়ার্সের এই রেলপথটিকে তুলে দেবার দাবি জানিয়েছিল রাজ্যের অগণিত পশুপ্রেমী সংগঠন। অনেকেই আবার সূর্যাস্তের পর এই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার দাবি তোলে।আবার অনেক সংগঠন এই পথে শুধু হাতে গোনা কয়েকটি পন্য বোঝাই ট্রেন চালানোর পক্ষে রায় দেয় তাও আবার নিয়ন্ত্রিত গতিতে।

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 5/7

ডুয়ার্সের এই রেলপথে ট্রেনের ধাক্কায় সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেই সময় বিন্নাগুড়ি থানার অন্তর্ভুক্ত মোরাঘাট এলাকায় রেললাইন পার হতে গিয়ে পণ্যবাহী ট্রেনের ধাক্কায় একসাথে সাতটি হাতির মৃত্যু হয়। এই রেলপথটি ন্যারোগ্রেজ থেকে ব্রডগেজ লাইন হওয়ার পর ট্রেনের ধাক্কায় প্রায় ৬০ টি হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। 

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 6/7

এই রেলপথে ট্রেনের ধাক্কায় শেষ হাতি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২০১৯ সালের জুন মাসের ২০ তারিখে।  গত তিন বছরে এই রেলপথে ট্রেনের ধাক্কায় একটিও হাতির মৃত্যু না হওয়াতে স্বস্তিতে রয়েছে রেল ও বনদপ্তর। 

 

হাতির মৃত্যুর সংখ্যা শূণ্য
  • 7/7

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম দিলীপ কুমার সিং বলেন আমাদের চালকরা এই পথে খুব সাবধানে ট্রেন চালায়। তাঁদের সকলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের জন্যই গত তিন বছরে অনেক হাতির মৃত্যু রোধ করা গেছে। উত্তরবঙ্গ বন্যপ্রাণ শাখার প্রধান বনপাল রাজেন্দ্র জাখর জানিয়েছেন হাতি সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর মৃত্যু ঠেকাতে আরো একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়িত করা হবে।