scorecardresearch
 
উত্তরবঙ্গ

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! লজ্জিত আলিপুরদুয়ার

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ১
  • 1/9

৯৫ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো এক আদিবাসী যুবকের বিরুদ্ধে। বৃদ্ধার মেয়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সুরেশ ওঁড়াও নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদারিহাট থানার পুলিশ।


 

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ২
  • 2/9

৯৫ বছরের ওই বৃদ্ধার সাথে পাশবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের মধ্যে খয়েরবাড়ির কেরানি পাড়ায়। ১ অগাস্ট বিকেল সাড়ে চারটায় বৃদ্ধাকে ঘরে একা পেয়ে এই কান্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত যুবক।

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৩
  • 3/9

থানায় অভিযোগকারী বৃদ্ধার মেয়ে জানিয়েছে, ঘটনার দিনই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু এই চার-পাঁচ দিন পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে।

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৪
  • 4/9

যদিও পাঁচ তারিখ রাতে অভিযুক্তকে তার কেরানী পাড়ার বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগকারিনী বলেন, আমি থাকি কালচিনি ব্লকের হাসিমারার বস্তি বাজার এলাকায়।

 

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৫
  • 5/9

ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে চারটায় আমাকে আমার দিদি এবং পাড়া-প্রতিবেশী ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়। আমি তক্ষুণি টোটো নিয়ে আমার বাপের বাড়িতে চলে আসি।

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৬
  • 6/9

এরপর আমার দিদি আমাকে জানায় সে সাবান কিনতে দোকানে গিয়েছিলো। সেই ফাঁকে অভিযুক্ত সুরেশ মাকে ঘরে একলা পেয়ে এমন জঘন্য অপরাধ করেছে।

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৭
  • 7/9

দিদি দোকান থেকে বাড়িতে এসে দেখে অভিযুক্ত আমাদের ঘর থেকে বের হচ্ছে। এরপর দিদি ঘরে ঢুকে দেখে আমার মা বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। দিদিই পাড়ার সকলকে চিৎকার করে ডেকে ঘটনার কথা জানায়।
 

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৮
  • 8/9

এরপর আমি বাড়িতে এসে মাকে টোটোতে চাপিয়ে মাদারিহাট থানায় নিয়ে যাই। মাদারিহাট থানায় আমি গোটা বিষয়টি লিখিত ভাবে অভিযোগ করি। এরপর থানার গাড়িতেই আমাকে এবং মাকে নিয়ে যাওয়া হয় বীড়পাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।
 

৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ ! ৯
  • 9/9

সেখানে মায়ের মেডিকেল টেষ্ট করা হয়। তারপর মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাদারিহাট থানার পুলিশ জানিয়েছে মেডিকেল রিপোর্টে জানা গেছে বৃদ্ধাকে বলপূর্বক ধর্ষন করা হয়েছে। সেখানে মায়ের মেডিকেল টেষ্ট করা হয়। তারপর মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাদারিহাট থানার পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছেন।