scorecardresearch
 

দিনহাটায় খুন বিজেপি কর্মী, হামলা তৃনমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে

ভোট পরবর্তী হিংসায় দিনহাটায় খুন বিজেপি কর্মী, গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে হামলা তৃনমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • ফের বিজেপি কর্মী খুন, অভিযোগ তৃণমূলের দিকে
  • এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতেও ভাঙচুর
  • সন্ত্রাস নিয়ে সন্ত্রস্ত এলাকাবাসী

ভোট গণনার পরেও গোলমাল থামার নাম নেই। বরং ভোটের ফল বের হওয়ার পর সন্ত্রাস আরও বেডে়ছে। যার বলি হতে হল এক বিজেপি কর্মীকে। এবার দিনহাটায় খুন হলেন বিজেপি কর্মী। ঘটনায় এলাকায় ব্য়াপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

উত্তপ্ত কোচবিহারের দিনহাটা

ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন এলাকা। সোমবার সন্ধ্যায় দিনহাটার পেটলায় এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে কোচবিহার জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসায় দুজনের মৃত্যু হল। ভাঙচুর করা হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীর বাড়ি। তাঁদের কর্মীদের একটা বড় অংশ এলাকা ছাড়া হয়ে আছে বলে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। নির্বাচন উত্তর ওই হিংসা বন্ধের দাবি জানিয়ে গতকালই বিজেপির এক প্রতিনিধি দল কোচবিহার জেলা শাসকের সাথে দেখা করে। তারপরও যে কাজ হয়নি তা স্পষ্ট।

খুনের অভিযোগ বিজেপির, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের পেটলায় খুন হওয়া বিজেপি কর্মীর নাম হারাধন রায়। বিজেপির অভিযোগ তাঁকে তৃনমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করেছে। এর আগে গণনার দিন সন্ধ্যায় শীতলখুচির ছোট শালবাড়ি এলাকায় মানিক মৈত্র বলে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, মানিক মৈত্র তাঁদের কর্মী ছিলেন। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে গুলি করে খুন করেছে।

আরও সন্ত্রাসের অভিযোগ

এছাড়াও সোমবার রাতে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের গোবরা ছড়া নয়ারহাট এলাকায় তৃনমূল এর পঞ্চায়েত সদস্যা ভারতী নন্দীর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী  হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুঠপাট, ভাঙচুর এমনকী তাঁদের একটি বিলাসবহুল গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ভারতী নন্দীর স্বামী তৃণমূল নেতা বাবলা নন্দীকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে দলের জেলা নেতৃত্ব শোকজ করে। তারপর ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনায় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিষয়টি না জেনে মন্তব্য করতে রাজি হননি কেউই।