scorecardresearch
 

Hill Travel Fare exceeding Budget: গাড়িভাড়াতে ঘাম ছুটছে দার্জিলিং-গ্যাংটকের ঠান্ডাতেও, বাজেট ফেল যেতে-আসতেই

Hill Travel Fare exceeding Budget: গাড়িভাড়াতে ঘাম ছুটছে দার্জিলিং-গ্যাংটকের ঠান্ডাতেও, বাজেট ফেল যেতে-আসতেই। সমাধানে বৈঠকে বসছে পর্যটন দফতর।

গ্যাংটক এমজি মার্গ                                                          ছবি-সিকিম টুরিজম গ্যাংটক এমজি মার্গ ছবি-সিকিম টুরিজম
হাইলাইটস
  • দার্জিলিং-গ্যাংটকে মাত্রাছাড়া ভাড়া
  • নাজেহাল পর্যটকরা
  • ক্ষোভে ফুঁসছেন পর্যটন স্টেক-হোল্ডাররাও

সমতলে যত গরম বাড়ছে, তরাই-ডুয়ার্স-সিকিম অঞ্চলে পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান ভিড়ও তত বাড়ছে। পদচারণায় পর্যটক পরিবহণের হার বাড়ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি ভাড়া। নাজেহাল পর্যটকরা। এমন অবস্থা তিন-চারদিন থেকে খেয়ে ঘুরে বেড়িয়ে যা খরচ হচ্ছে, তার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি খরচ হচ্ছে গাড়িভাড়ায়। যাঁরা ৩ মাস আগেও এসেছেন। মাঝে মধ্যেই আসেন, আচমকা এমন ভাড়া দেখে বাজেট ফেল করে যাচ্ছে। ফলে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা।

টুরিজম স্টেক আপনারা সবাই হয়তো জানেন যে আমাদের অঞ্চলে একটি সংক্ষিপ্ত গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মরশুম আসছে। পার্বত্য এলাকায় প্রায় সব বুকিং ফুল। এখন পালা পর্যটকদের পরিবহণ বুকিংয়ের। অনেক ক্ষেত্রে এটি একজন গড় পর্যটকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত হার শীঘ্রই এই অঞ্চলের "পর্যটনবান্ধব"  অবস্থাকে প্রভাবিত করতে শুরু করেছে৷

ঈদের পর এমন ঘটনা আরও বেশি ঘটেছে, যখন বাংলাদেশের একটা বড় অংশের পর্যটক এলাকায় ঢুকছেন।

পর্যটন বিশেষজ্ঞ ও অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন অব টুরিজমের সম্পাদক রাজ বসু জানিয়েছেন, আমরা মহামারীর ক্ষতি, কর, জ্বালানি খরচ এবং আরও অনেক কিছু বুঝতে পারি। তবে এটি একটি টেকসই মডেল বা সঠিক মডেল নয়। আমাদের সারা বছর পর্যটন প্রবাহের প্রয়োজন, অভাব এলাকার ভর্তুকি দিয়ে আবাসন-পরিবহণ অনুপাতের সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হয়। ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়ানো কোনও সমাধান নয়। তাঁর দাবি, পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়লে তাতে ক্ষতি এলাকারই। এটাই কেউ বুঝতে পারছে না।

পর্যটন সার্কিটের দাবি. এছাড়াও, সর্বোচ্চ এবং নিম্ন ঋতুর প্রমিতকরণের জন্য কাজ করা এবং একই প্রচার করা দরকার। চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ। অ্যাপ ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবার জন্য সমর্থন চাইছেন তাঁরা। তাহলে নিয়ন্ত্রণ বাড়বে বলে দাবি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের ৫টি উত্তর-পূর্ব জেলা সহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যকে পর্যটন নীতি এবং কর্মের উপর ভিত্তি করে নিয়মিত মিথস্ক্রিয়ায় সিকিমের সাথে কাজ করতে হবে বলেও দাবি তাঁদের।

আসলে, আমরা যদি চাহিদার সাথে ফ্লাইটের রেট লক্ষ্য করি, রেল বা এমনকী বাসের দামও আকাশচুম্বী। আমরা বুদ্ধিমত্তার সাথে এটিকে "ডাইনামিক ফেয়ার" হিসাবে আখ্যায়িত করেছি। আমাদের গতিশীল ভাড়ার ঊর্ধ্ব সীমার উপর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই এবং তাই এই অনলাইন ব্ল্যাকমার্কেটিং বৈধ করা হয়েছে বলে দাবি। ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্রাভেল অ্যান্ড টুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (এতোয়া)-র তরফে সম্পাদক দেবাশিস মৈত্র জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি রয়েছে ভাড়ার সর্বজনগ্রাহ্য একটা রেট চার্ট তৈরি হোক।

দাবি, ভারত আজ পর্যটনের সুপার মার্কেট, সমস্ত দেশই ভারতীয় পর্যটককে বিভিন্ন রূপে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। সঠিক নীতি, জাতীয় স্তরের সমন্বয়, রাজ্যগুলির সাথে সঠিক চিন্তাভাবনার অভাবের কারণে আমরা কি ঘরোয়া গন্তব্য হারাচ্ছি? এটা নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

ক্ষোভ বুঝতে পেরে সোমবার শিলিগুড়িতে পর্যটন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে বৈঠকের ডাক দিয়েছে রাজ্য পর্যটন দফতর। সবার আশা সমাধান বের হবে।