scorecardresearch
 

পাজামায় বিশেষ পকেটে সোনা পাচার করতে গিয়ে শিলিগুড়িতে ধৃত ১

পাজামায় অভিনবক কায়দায় লুকনো ১২টি সোনার বিস্কুট। না জানলে বোঝার উপায় নেই। তবু নজর এড়াতে পারল না পাচারকারী। গোয়েন্দাদের আগে থেকে পাওয়া টিপস-এ ধরা পড়ে গেল বামাল।

সোনা পাচারে ধৃত সোনা পাচারে ধৃত
হাইলাইটস
  • পাজামায় লুকনো সোনার বিস্কুট
  • ১২ টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার
  • ধৃত পাচারকারীকে আদালতে পেশ

পাজামার মধ্যে বিশেষ পকেট বানিয়ে নাগপুরে সোনা পাচারের পথে কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দা (DRI) বিভাগের হাতে ধরা পড়ল এক দুষ্কৃতী। ধৃতকে রবিবার সকালে শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়। ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ডিআরআই। তবে এর আগেও একাধিকবার পাচারকারী ধরা পড়লেও মূল চক্রটিকে আজ পর্যন্ত ধরা যায়নি।

অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১ কেজি ৯৯২ গ্রাম সোনা। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাসির আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে । জানা গিয়েছে অসম থেকে শিলিগুড়ির হয়ে সোনাগুলি নাগপুরে পাচার হচ্ছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোয়েন্দা বিভাগ।

ইন্দো-মায়ানমার সীমান্ত পার করে সোনা অসম থেকে সরাসরি কলকাতায় পাচার করা হতো। কিন্তু এবার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার চোখে ধূলো দিতে সড়কপথ ব্যবহার করছে পাচাকারীরা। এবার পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে অসম থেকে কোচবিহার, শিলিগুড়ি হয়ে নাগপুরে পাচার হচ্ছিল সোনা। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর থাকায় শিলিগুড়ির জলপাইমোড়ে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দা বিভাগ (DRI)।

সেই সময় বাসে অভিযান চালালে এক ব্যক্তির পাজামার কোমরের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১২ টি সোনার বিস্কুট। উদ্ধার হওয়া সোনার ওজন আনুমানিক ১ কেজি ৯৯২ গ্রাম। এই সোনার বিস্কুটের এক একটির ওজন প্রায় ১৬৬ গ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় নাসির আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে।

পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তির বাড়ি কোচবিহারে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে উদ্ধার হওয়া সোনার আনুমানিক আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য  ৯৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। ধৃতকে প্রাথমিক জেরা করে জানা গিয়েছে, অসম থেকে ওই সোনা প্রথমে কোচবিহার পৌঁছয়। সেখানে হাতবদল হয়ে সোনা নাসিরের কাছে পৌঁছয়।