শিয়ালদা-আলিপুরদুয়ার পদাতিক এক্সপ্রেসে বিপত্তি, অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচল ট্রেনSealdah-Alipuruar Padatik Express Cought Fire: বড় দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেল শিয়ালদা-নিউ আলিপুরদুয়ার পদাতিক এক্সপ্রেস। কোচবিহারের কাছে জামালদহ-গোপালপুর স্টেশনে রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে। ওই স্টেশনে ঢোকার মুখেই ট্রেনটির এসি কোচে আগুনের স্ফুলিঙ্গ নজরে পড়ে। প্রথম দেখেন এক গেটম্যান। তিনি বিষয়টি দ্রুত স্টেশনে জানালে ট্রেনটিকে দাঁড় করিয়ে আগুন নেভানো হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর ক্ষতিগ্রস্ত কামরাটিকে সরিয়ে গন্তব্যে রওনা দেয় ট্রেনটি। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হয় যাত্রীদের।
বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ারের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার দিলীপকুমার সিং বলছেন, হট অ্যাক্সেলের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। ট্রেনের আধুনিক সিস্টেমের জন্য যা রোধ করা সহজ হয়েছে। আমাদের গেটম্যানের নজরে আসায় আমরা ট্রেনটিকে দাঁড় করিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কামরাটিকে বাদ দিয়েছি। কোনও যাত্রীর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
অধিকাংশ যাত্রী অবশ্য নেমে গিয়েছিলেন এনজেপিতেই। সামান্য কিছু যাত্রী নিয়ে নিউ আলিপুরদুয়ারের দিকে যাচ্ছিল পদাতিক এক্সপ্রেস। দুপুর ১২.৫০ মিনিট নাগাদ জামালদহ-গোপালপুর স্টেশনে ঢোকার আগে একটি রেলগেটে আগুন লাগার বিষয়টি টের পান গেটম্যান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্টেশনমাস্টারকে তা জানান। জরুরি ভিত্তিতে ট্রেনটিকে দাঁড় করানো হয় জামালদহ-গোপালপুর স্টেশনে। আগুন লাগায় ধোঁয়ায় ভরে যায় ওই কোচটির একাংশ। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। এরপর রেলকর্মীরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ওই কোচটিকে বাদ দিয়ে বিকেল ৪.১৫ মিনিট নাগাদ আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেনটি।
গত বছর এই জানুয়ারিতেই দোমোহনির কাছে দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিল বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস। এদিন রেলকর্মীর তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পর আতঙ্কিত যাত্রীদের মনে উঁকি দিয়েছে দোমোহনির সেই স্মৃতি।
ডিআরএম জানিয়েছেন, ওই রেলকর্মীকে পুরস্কৃত করবেন তাঁরা। ট্রেনটি সারিয়ে ৩ ঘন্টা দেরিতে এদিন সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে ট্রেনটি নিউ আলিপুরদুয়ারে পৌঁছোয়। ফলে ফিরতি ট্রেনটি ছাড়তেও অনেক দেরি হয়। বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের।