Chanchal Super Speciality Hospital: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মালদার চাঁচলে হাসপাতাল ভাঙচুর, আটক ৬

পরিবারের দাবি, ভর্তির পর থেকেই অঙ্কনের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অভিযোগ, বারবার চিকিৎসকদের ডাকলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। কার্যত বিনা চিকিৎসায় ছটফট করতে করতে যুবকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন শোকাতুর পরিজনরা।

Advertisement
চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মালদার চাঁচলে হাসপাতাল ভাঙচুর, আটক ৬চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মালদার চাঁচলে হাসপাতাল ভাঙচুর, আটক ৬

Chanchal Super Speciality Hospital: ফের চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ। ফের উত্তপ্ত সরকারি হাসপাতাল চত্বর। এবার ঘটনাস্থল মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাসপাতাল চত্বর। চলল ভাঙচুর, বিক্ষোভ। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৬ জনকে জালে তুলেছে চাঁচল থানার পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মহানন্দপুর এলাকার বাসিন্দা অঙ্কন রায়কে বৃহস্পতিবার রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরিবারের দাবি, ভর্তির পর থেকেই অঙ্কনের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অভিযোগ, বারবার চিকিৎসকদের ডাকলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। কার্যত বিনা চিকিৎসায় ছটফট করতে করতে যুবকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন শোকাতুর পরিজনরা।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ধৈর্য হারায় রোগীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। অভিযোগ, হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে খবর দেওয়া হয় থানায়। বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে লাঠি উঁচিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে।

যদিও চিকিৎসায় গাফিলতির তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন হাসপাতাল সুপার সুমিত তালুকদার। তাঁর সাফ কথা, "রোগীর অবস্থা আগে থেকেই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। গাফিলতির অভিযোগ ভিত্তিহীন।" আপাতত এলাকায় পুলিশি টহল চলছে। তবে এই ঘটনায় সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া হয়ে গেল জেলাজুড়ে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement