পাহাড়ে GTA সভাসদের বিজেপিতে যোগ, জিটিএ দখলে এবার কোমর বেঁধে নামছে বিজেপিPalden Tamang Joins BJP GTA: বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসতেই বিজেপিতে যোগ দিলেন জিটিএ সদস্য। রাজু বিস্তার হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন। রাজু বিস্তার নেতৃত্বে তাঁর হাত থেকেই দলীয় পতাকা তুলে নেন। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পর এবার পাহাড়ে জিটিএ দখল যে লক্ষ্য তা এর আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা। বিজিপিএম পরিচালিত অনিত থাপার নেতৃত্বে চলা জিটিএ দখল করাই বিজেপির লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই পাহাড়ে নিয়োগে স্বজনপোষণ, আর্থিক তছরুপ সহ একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সাংসদ মুখ্যসচিবের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন।
দার্জিলিং ও কালিম্পং নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। আর সেই লক্ষ্যপূরণের পথে এক বড়সড় চমক দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন জিটিএ সদস্য পালদেন তামাং। কালিম্পঙের ৩৬ নম্বর কেন্দ্রের এই নির্দল সদস্য তথা 'গোর্খা স্বতন্ত্র সমূহ'-এর নেতা তাঁর টিম নিয়ে আমাদের হাত ধরলেন।
বিজেপি সাংসদের দাবি, পাহাড়ের রাজনীতিতে অনিত থাপার নেতৃত্বাধীন বিজিপিএম-এর বিরুদ্ধে পাহাড়বাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। নিয়োগে স্বজনপোষণ থেকে শুরু করে আর্থিক তছরুপ, পাহাড়ের প্রতিটি ধুলিকণায় দুর্নীতির গন্ধ। আমি ইতিপূর্বেই এই সব দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের হস্তক্ষেপ দাবি করে কড়া চিঠি পাঠিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট, অনিত থাপার নেতৃত্বাধীন দুর্নীতিগ্রস্ত জিটিএ-র হাত থেকে পাহাড়কে মুক্ত করা।
সাংসদ রাজু বিস্তার হাত ধরে পালদেন তামাংয়ের এই যোগদান পাহাড়ে বিজেপির সংগঠনকে আরও মজবুত করল। আমাদের জেলা সভাপতি সঞ্জীব লামা এবং অন্যান্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে আমরা তাঁকে স্বাগত জানালাম।
সাংসদ রাজু বিস্তার বক্তব্য, "কালিম্পঙের ৩৬ নম্বর কেন্দ্রের নির্দল জিটিএ সদস্য শ্রী পালদেন তামাং এবং তাঁর এর দলবল প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে আজ বিজেপি পরিবারে শামিল হলেন। দার্জিলিং জেলা বিজেপি সভাপতি সঞ্জীব লামা এবং দলের অন্যান্য জেলা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আমি তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালাম।"
আমরা মনে করি, গত নির্বাচনে কালিম্পং এলাকায় বিজেপি প্রার্থী ভারত ছেত্রীর জয়ের জন্য পালদেনবাবু এবং তাঁর টিম যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তার পুরস্কার হিসেবেই আজ এই একাত্মতা। গোর্খা সম্প্রদায়ের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং পাহাড়ের সামগ্রিক উন্নয়নের যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, পালদেনের যোগদান সেই লড়াইকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে দিল। এবার লড়াই সরাসরি জিটিএ দখলের।