মাঝরাতে ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, জলপাইগুড়িতে আতঙ্ক

গাড়ির মালিক রামপ্রসাদ কামতি প্রথমে বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে সিটের খাঁজে আটকে থাকা একটি গুলির খোল নজরে আসে তাঁর। এখানেই শেষ নয়, পাশের আবাসনের জানালাতেও স্পষ্ট গুলির চিহ্ন। সেখান থেকেও উদ্ধার হয়েছে আর একটি খোল।

Advertisement
মাঝরাতে ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, জলপাইগুড়িতে আতঙ্কমালদায় ফের শ্যুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন তৃণমূল নেতা

জলপাইগুড়ির সমাজপাড়া এলাকায় বুধবার গভীর রাতে হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে উঠল শহরের প্রাণকেন্দ্র। রাতের অন্ধকারে কি ঘটেছিল তা কেউ ঠিক বুঝে ওঠার আগেই বৃহস্পতিবার সকালে দেখা গেল, আবাসনের নীচে রাখা একটি গাড়ির জানলার কাচ ফুটো হয়ে রয়েছে। সিটের উপর ছড়িয়ে রয়েছে কাচের গুঁড়ো। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে সংলগ্ন এলাকায়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসারেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি এবং আশপাশের এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। কারা, কী কারণে মাঝরাতে গুলি চালাল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জলপাইগুড়ি শান্তিপূর্ণ শহর। রাত বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে এই ধরনের শুটআউট অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যে বা যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাঁদের দ্রুত গ্রেফতার করতেই হবে।”

গাড়ির মালিক রামপ্রসাদ কামতি প্রথমে বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে সিটের খাঁজে আটকে থাকা একটি গুলির খোল নজরে আসে তাঁর। এখানেই শেষ নয়, পাশের আবাসনের জানালাতেও স্পষ্ট গুলির চিহ্ন। সেখান থেকেও উদ্ধার হয়েছে আর একটি খোল। ফলে বিষয়টি যে সাধারণ কোনও বিস্ফোরণের শব্দ ছিল না, তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, বুধবার রাতে পটকা ফাটার মতো কয়েকটি আওয়াজ তাঁরা শুনেছিলেন। কেউই ভাবতে পারেননি যে সেটি আসলে গুলির শব্দ। সকালে ঘটনাস্থলে গুলির চিহ্ন দেখা যেতেই এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement