Malda Zilla Parishad BJP: আরও একটি জেলা পরিষদ দখল করল বিজেপি, তৃণমূলও হাত মেলাল, দাবি বিরোধীদের

আজ সকাল থেকেই জেলা পরিষদের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে প্রথম থেকেই প্রস্তুত ছিল প্রশাসন। সেই মতো জেলা পরিষদ চত্ত্বরে কড়া নিরাপত্তা ছিল। মোতায়েন করা হয়েছিল বিরাট সংখ্যক পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতেই নতুন সভাধিপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের সদস্যদের সমর্থন নিয়ে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। সভাধিপতি হয়েছেন দীপালি বালা। 

Advertisement
আরও একটি জেলা পরিষদ দখল করল বিজেপি, তৃণমূলও হাত মেলাল, দাবি বিরোধীদেরবিজেপির দখলে মালদা জেলা পরিষদ
হাইলাইটস
  • আজ সকাল থেকেই জেলা পরিষদের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়
  • তবে প্রথম থেকেই প্রস্তুত ছিল প্রশাসন
  • সেই মতো জেলা পরিষদ চত্ত্বরে কড়া নিরাপত্তা ছিল

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন হল মালদা জেলার সভাপতি নির্বাচন। জেলা পরিষদের দখল নিল বিজেপি। সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিজেপির দীপালি বালা। মাত্র ৪ সদস্য নিয়েই জেলা পরিষদের বোর্ড দখল করল বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের সমথর্নেই এভাবে বোর্ড গঠন করা সম্ভব হয়েছে বলেই দাবি করছেন বিরোধীরা।  

মালদা জেলা পরিষদের নির্বাচন ঘিরে প্রথম থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। সোমবার রাতে মালদা টাউন স্টেশন চত্ত্বর থেকে আটক করা হয় জেলা পরিষদের চার সদস্যকে। এই খবর পৌঁছে যায় কংগ্রেসের কাছে। তখনই সেখানে উপস্থিত হন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। ওই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী ও কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনজির নূর। তাঁরা দুজনেই শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের হত্যার অভিযোগ তোলেন। তাঁদের আরও দাবি, জেলা সভাধিপতি নির্বাচনের আগেই প্ল্যানিং করে বোর্ডের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনৈতিকভাবে বোর্ড গঠন করার চেষ্টা করছে বিজেপি। 

মৌসম বলেন, 'এভাবে গণতন্ত্রের হত্যা করা হচ্ছে। মাত্র চার জন সদস্য নিয়ে বোর্ড দখল করতে চাইছে বিজেপি। পুলিশের সাহায্যে অনৈতিকভাবে বোর্ড গঠন করতে চাইছে তারা।'

এই একই অভিযোগ করেন ঈশা খান চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, উচ্চ আদালত বলেছিল জেলা পরিষদের সদস্যদের নিরাপদে ভোট দিতে দিতে হবে। কিন্তু সেটা হল না। তাঁর অভিযোগ, মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলা পরিষদের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ থাকলে পরেও তদন্ত করা যেত। 

আজ সকাল থেকেই জেলা পরিষদের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে প্রথম থেকেই প্রস্তুত ছিল প্রশাসন। সেই মতো জেলা পরিষদ চত্ত্বরে কড়া নিরাপত্তা ছিল। মোতায়েন করা হয়েছিল বিরাট সংখ্যক পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতেই নতুন সভাধিপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের সদস্যদের সমর্থন নিয়ে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। সভাধিপতি হয়েছেন দীপালি বালা। 

এর আগে একই কায়দায় নদিয়া জেলা পরিষদ দখল করেছিল বিজেপি। মাত্র ৬ সদস্য নিয়ে ৫২ আসন বিশিষ্ট নদিয়া জেলা পরিষদ দখল করেছিল তারা। এই কাজে বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছিল জেলা পরিষদের কয়েক জন তৃণমূল সদস্যের বিরুদ্ধে। সেই কারণে দলবিরোধী কাজের জন্য ওই জেলা পরিষদের নয় সদস্যকে সাসপেন্ড করেছিল কালীঘাট তৃণমূল। এবার সেই একই কায়দায় মালদা জেলা পরিষদ দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement