BLO Serve Notice To Himself: SIR শুনানিতে ডাক! বুনিয়াদপুরে নিজেকেই নোটিশ দিলেন পুরষ্কৃত BLO

BLO Serve Notice To Himself: ২০২২ সালে যেমন তিনি সেরা বিএলও-র স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, এ বারও সময়ের আগেই কাজ শেষ করায় পুরস্কৃত হন। কিন্তু সেই পুরস্কার পাওয়ার পরই শুক্রবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় শুনানির নোটিশ। যেহেতু তিনি নিজেই ওই এলাকার বিএলও, তাই অন্য কোনও উপায় না থাকায় নিজের নোটিশ নিজেকেই গ্রহণ করতে হয়।

Advertisement
SIR শুনানিতে ডাক! বুনিয়াদপুরে নিজেকেই নোটিশ দিলেন পুরষ্কৃত BLOসাজ্জাদ হোসেন

BLO Serve Notice To Himself: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ‘সার’ ফর্মের কাজ শেষ করে সেরা বিএলও-র পুরস্কার পেয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি ঘুরে গেল। এ বার সেই বিএলওকেই ধরানো হল শুনানির নোটিশ। আর আশ্চর্যের বিষয়, নোটিশটি নিজেকেই নিজের হাতে গ্রহণ করতে হল তাঁকে।

ঘটনাটি দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর পুরসভা এলাকার। চার নম্বর ওয়ার্ডের ব্লক অফিসপাড়ার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বংশীহারি ব্লকের ২০৮ নম্বর পার্টের বিএলও। ওই পার্টের মধ্যেই তাঁর নিজের বসবাস। পেশায় তিনি সমসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ২০১২ সাল থেকে বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাজ্জাদ।

২০২২ সালে যেমন তিনি সেরা বিএলও-র স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, এ বারও সময়ের আগেই কাজ শেষ করায় পুরস্কৃত হন। কিন্তু সেই পুরস্কার পাওয়ার পরই শুক্রবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় শুনানির নোটিশ। যেহেতু তিনি নিজেই ওই এলাকার বিএলও, তাই অন্য কোনও উপায় না থাকায় নিজের নোটিশ নিজেকেই গ্রহণ করতে হয়। আগামী ২৮ জানুয়ারি বংশীহারি হাইস্কুলে শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

কেন এই শুনানি? সাজ্জাদের দাবি, ‘SIR’ ফর্মে তাঁর বাবাকে ছ’জন আলাদা ব্যক্তি অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এই কারণ দেখানো হয়েছে। তিনি জানান, “আমরা ছয় ভাই-বোন। তাই প্রত্যেকেই বাবার নাম দিয়েছেন। সব তথ্য সঠিক ভাবেই দেওয়া হয়েছে।”

সাজ্জাদের অভিযোগ, এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের সময়েই এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “এআই-এর কারণে বাবার পদবির বানানও ভুল হয়েছে। এই ধরনের ভুল নির্বাচন কমিশনের যাচাই করা উচিত ছিল। এখন তার জন্য অনেককেই শুনানিতে ডাক পড়ছে।”

এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতা সুভাষ চাকী সংবাদমাধ্য়মের কাছে অভিযোগ করেন, “যে কর্মী নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাজ শেষ করে পুরস্কার পেলেন, তাকেই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, এটা হাস্যকর। একজন দক্ষ বিএলও নিজের তথ্য ভুল দেবেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।” অন্য দিকে বিজেপির অভিযোগ, তথ্যে যদি ভুল থাকে, শুনানি হওয়াই স্বাভাবিক। এটা নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়া। তৃণমূল এই স্বচ্ছতাই মানতে চায় না।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement