Buxa Tiger Reserve: বক্সায় অক্টোবরে তো ১টি বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে, আরও বাঘ কবে? জানালেন মন্ত্রী

Buxa Tigers: বক্সায় বাঘ আনার প্ল্যান বিগত সরকারের আমলেই ছিল। তোড়জোড়ও চলছিল অনেক দিন ধরেই। বাধ সাদছিল বক্সার জঙ্গলে প্রচুর মানুষের বসবাস। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থার জন্যই এতদিন সময় বাঘ আনার প্রক্রিয়ায় এতদিন সময় লাগল।

Advertisement
বক্সায় অক্টোবরে তো ১টি বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে, আরও বাঘ কবে? জানালেন মন্ত্রী   বক্সায় বাঘিনী ছাড়া হবে ২ অক্টোবর - ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • বক্সায় আরও বাঘ ছাড়ার প্ল্যান
  • বাঘের সংখ্যা বাড়ানোই লক্ষ্য
  • কেন প্রথমে বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে? 

অবশেষে উত্তরবঙ্গের বক্সায় বাঘ ছাড়ছে রাজ্য বনদফতর। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ অক্টোবরই বক্সায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ছাড়া হবে। ২ অক্টোবর একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘিনী আনা হতে চলেছে বক্সায়। বক্সা টাইগার রিজার্ভে পুজোর আগেই পর্যটকদের জন্য সুখবর জানাল বনদফতর।

বক্সায় আরও বাঘ ছাড়ার প্ল্যান

রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাঁও bangla.aajtak.in-কে জানালেন, আপাতত একটি বাঘই ছাড়া হবে বক্সার জঙ্গলে। সেই বাঘটির গতিবিধি দেখে ও আনুসাঙ্গিক বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে দু'তিন পরে ফের বাঘ ছাড়া হবে বক্সায়। তাঁর কথায়, 'আপাতত একটি বাঘই ছাড়া হবে ২ অক্টোবর। এরপর দু'তিন মাস পরে ফের বাঘ ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দুটি জায়গা থেকে বাঘ আনার ব্যাপারে প্ল্যান রয়েছে। অসমের মানস জাতীয় উদ্যান ও বিহারের বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভ থেকে। লোকবলও দরকার। তাই সব দিক খতিয়ে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এই বিষয়টিতে।  বক্সায় বাঘ রাখতে যা যা করা দরকার, সবই করা হচ্ছে।'

বাঘের সংখ্যা বাড়ানোই লক্ষ্য

বক্সা টাইগার রিজার্ভ একসময় বাঘের জন্য পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে বাঘের সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। বর্তমানে এই সংরক্ষিত অরণ্যে ৬৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৪১ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬টিরও বেশি প্রজাতির পাখি, ৪ প্রজাতির উভচর এবং ১০৩ প্রজাতির মাছের বাস রয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব কলকাতা সফরে এসে জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে উপযুক্ত আবাসস্থলে ফের বাঘ পুনর্বাসনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি রাজস্থানের সরিস্কা টাইগার রিজার্ভের উদাহরণ তুলে ধরেন। সেখানে ২০০৮ সালে যেখানে একটিও বাঘ ছিল না, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে ৫৬তে পৌঁছেছে।

কেন প্রথমে বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে? 

বিগত কয়েক বছরে বক্সায় পরিযায়ী বাঘের মাঝে মাঝে উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে বাঘের বসবাসের অস্তিত্ব মেলেনি বক্সায়। তাই প্রথমে বাঘিনী ছাড়া হচ্ছে। পরে বাঘ ছাড়া হবে। যাতে স্থায়ী ভাগে বাঘের বাসস্থান হয়ে ওঠে বক্সা। 

Advertisement

বস্তুত বক্সায় বাঘ আনার প্ল্যান বিগত সরকারের আমলেই ছিল। তোড়জোড়ও চলছিল অনেক দিন ধরেই। বাধ সাদছিল বক্সার জঙ্গলে প্রচুর মানুষের বসবাস। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থার জন্যই এতদিন সময় বাঘ আনার প্রক্রিয়ায় এতদিন সময় লাগল। গত বছর ডিসেম্বরে রাজ্য বনদফতরে পুনর্বাসনের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন , বাঘ সংরক্ষণের জন্য মূল বাঘের এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া বিশ্বজুড়ে একটি সাধারণ ও স্বীকৃত পদ্ধতি। বসতি এলাকা যদি পার্শ্ববর্তী ও বাফার জোনের বাইরে সরিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে জঙ্গল স্বাভাবিকভাবেই পুনরুজ্জীবিত হয় এবং মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বাঘের থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি হয়। মন্ত্রী মনোজ ওরাঁও জানালেন, চলতি বছরের অগাস্টেই পুনর্বাসনের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। 

POST A COMMENT
Advertisement