BJP Workers Attacked Chopra: বিজেপি কর্মীদের উপর গুলি চালানো ও আক্রমণের অভিযোগে উত্তাল চোপড়া

এই সংঘর্ষ ও গুলিচালনার ঘটনার পর পুলিশ কোটগছ এলাকা থেকে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিজেপির তোলা এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা পাল্টা বিবৃতি মেলেনি।

Advertisement
বিজেপি কর্মীদের উপর গুলি চালানো ও আক্রমণের অভিযোগে উত্তাল চোপড়াচোপড়া বিজেপি আক্রমণ

BJP Workers Attacked Chopra: রাজনৈতিক হিংসার আগুনে ফের উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। এবার বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা এবং প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের কোটগছ এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার চোপড়া থানার অধীন দাসপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছেন বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডল সভাপতি প্রদীপ রায়ের ছেলে-সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় যুবক। ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সন্ধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, দলের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ও গ্রামের যুবকেরা যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁদের পথ আটকায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল। অভিযোগ, কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই তৃণমূল আশ্রিত ওই দুষ্কৃতী বাহিনী ধারালো অস্ত্র নিয়ে যুবকদের ওপর চড়াও হয়। এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়াতে ও এলাকাছাড়া করতে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

রক্তাক্ত এই ঘটনার খবর পেয়েই কোটগছ এলাকায় পৌঁছায় চোপড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নতুন করে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য এলাকায় কড়া নজরদারি ও পুলিশি টহল শুরু হয়েছে।

এই নৃশংস হামলা প্রসঙ্গে বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডল সভাপতি প্রদীপ রায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরেই তৃণমূলের আশ্রিত গুন্ডাবাহিনী গ্রামের সাধারণ যুবকদের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। ধারালো অস্ত্রের কোপ মারার পাশাপাশি গ্রামে আতঙ্ক তৈরি করতে গুলিও চালানো হয়েছে।” তিনি সাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, প্রশাসন যদি অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার না করে, তবে দলের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের নির্দেশে চোপড়া জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি।

Advertisement

এদিকে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গুলিচালনার ঘটনার পর পুলিশ কোটগছ এলাকা থেকে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিজেপির তোলা এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা পাল্টা বিবৃতি মেলেনি।

 

POST A COMMENT
Advertisement