Shivling Controversy Viral Photo: মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর মন্তব্য এবং শিবলিঙ্গে অবমাননা, গ্রেফতার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি ওই ধৃত যুবক নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা প্রয়োগ করেন। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য দেবতা মহাদেবের প্রতীক শিবলিঙ্গকে চরম অবমাননা করে একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন।

Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর মন্তব্য এবং শিবলিঙ্গে অবমাননা, গ্রেফতার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারমুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর মন্তব্য এবং শিবলিঙ্গে অবমাননা, গ্রেফতার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার

Shivling Controversy Viral Photo: উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থানার পুলিশের তৎপরতায় গ্রেপ্তার হলেন এক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। ধৃত যুবকের নাম কৃষ্ণেন্দু দাস এবং তার বাড়ি মেদিনীপুর জেলার ডেবরা থানা এলাকায়। ধৃতের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত কুরুচিকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় পবিত্র শিবলিঙ্গে কনডম পরিয়ে সেই বিতর্কিত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই নিন্দনীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার অভিযুক্তকে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি ওই ধৃত যুবক নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা প্রয়োগ করেন। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য দেবতা মহাদেবের প্রতীক শিবলিঙ্গকে চরম অবমাননা করে একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। এই ঘটনাটি নজরে আসতেই তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিজেপি নেত্রী সবিতা বর্মন ইটাহার থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে পুলিশ ডেবরা এলাকার বাসিন্দা ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে নবগঠিত ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের ৬১ ১১১ ১৯৬ ১৭৭ ২৯৯ ৩৫৩ ৩৫৬ নম্বর ধারার মতো একাধিক কঠোর ও জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে।

এই চাঞ্চল্যকর মামলা প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সরকারি আইনজীবী অতনু দাস সংবাদমাধ্যমকে জানান যে ধৃতের বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর এবং একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে ইটাহার থানার পুলিশ। সমস্ত সওয়াল জবাব শোনার পর মাননীয় বিচারক ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই কুরুচিকর ও বিতর্কিত পোস্টের পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য বা চক্র রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ঘটনার কোমর বেঁধে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিদ্বেষ ছড়ানোর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জেলা জুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement