Rabindranath Ghosh Resign: পুর-চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের, নেপথ্যে কী কারণ?

Rabindranath Ghosh Resign: দায়িত্ব ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হল কোচবিহার পুরসভার পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন তা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দিলীপ সাহা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। ১৩ জানুয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহারের সভা রয়েছে। সূত্র বলছে, তার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হতে পারে নতুন চেয়ারম্যানের নাম।

Advertisement
পুর-চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের, নেপথ্যে কী কারণ?ফাইল ছবি

Rabindranath Ghosh Resign From Municipality Chairman: গত কয়েক দিন ধরে তাঁর সরে দাঁড়ানো নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনাকেই সত্যি করে প্রবীণ তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। তবে ঠিক কোন কারণে তিনি পদ ছাড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শনিবার মহকুমা শাসক গোবিন্দ নন্দীর হাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।

দায়িত্ব ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হল কোচবিহার পুরসভার পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন তা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দিলীপ সাহা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। ১৩ জানুয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহারের সভা রয়েছে। সূত্র বলছে, তার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হতে পারে নতুন চেয়ারম্যানের নাম।

পদত্যাগের পর রবীন্দ্রনাথবাবু বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ফোন করেছিল। তিনি আমাকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে গিয়ে পদত্যাগ করতে বলেন। আমি যাতে আরও বেশি করে সংগঠনে মন দিই সেকথাই বলেন। তাঁর নির্দেশ শিরোধার্য করে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের ৯ টি আসন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেবো।’

২০২২ সালের পুর ভোটে তৃণমূল জেতার পর ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। প্রথম দিকে দুই বছর শান্তিপূর্ণই ছিল তাঁর মেয়াদ। কিন্তু ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকে সম্পর্কের টানাপড়েন বাড়তে থাকে। অভিযোগ, তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের সঙ্গে তাঁর ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়। পুরকর বৃদ্ধি নিয়ে অভিজিৎ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাতেই পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়।

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গেও তৈরি হয় বিরোধ। এরপর গত নভেম্বর মাসে জেলা সভাপতি নিজে মেসেজ করে তাঁকে পদ ছাড়ার নির্দেশ দেন। তখন রবি জানান, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি না বললে তিনি সরে দাঁড়াবেন না। সেই টানাপড়েনের মধ্যেই শনিবার হঠাৎই পদত্যাগ করলেন তিনি।

Advertisement

রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে তৃণমূল মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় জানান, “রবীন্দ্রনাথ দলে অত্যন্ত বিশ্বস্ত নেতা। দলের নির্দেশ মেনে তিনি পদত্যাগ করেছেন। দল যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, তিনি যথাযথভাবে পালন করেছেন।”

 

POST A COMMENT
Advertisement