দুর্গাপুজো স্পেশাল ট্রেন আর তো একমাসও বাকি নেই। পুজোর ছুটির অবকাশ মানেই, বহু মানুষের কাছে বেড়াতে যাওয়ার সময়। ট্রেনের টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। বিপুল যাত্রীর চাপ কমাতে একাধিক পুজো স্পেশাল ট্রেন ঘোষণা করে দিয়েছে পূর্ব রেল। মূলত উত্তরবঙ্গ ও অসমেই দুর্গাপুজো, দীপাবলি ও ছট উপলক্ষে ট্রেন দিয়েছে পূর্ব রেল।
পূর্ব রেল জানিয়েছে, অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে স্পেশাল ট্রেনগুলি কলকাতা ও নিউ জলপাইগুড়ি এবং হাওড়া ও লামডিংয়ের মধ্যে চলবে। ফলে পুজোর ছুটিতে যাঁরা উত্তরবঙ্গ বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করেছেন, তাঁরা স্পেশাল ট্রেনেও টিকিট পেয়ে যাবেন।
হাওড়া-লামডিং পুজো স্পেশাল ট্রেন
হাওড়া থেকে লামডিং পুজো স্পেশাল ট্রেনটি প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়বে। পরের দিন সকাল ৮টায় লামডিং পৌঁছবে এই ট্রেন। পুজো স্পেশাল এই ট্রেনটি ১৬ অক্টোবর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সব মিলিয়ে ৭টি ট্রিপ থাকছে এই ট্রেনটির। এই লামডিং ছাড়বে প্রতি শনিবার বেলা ১১টায়, পরের দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় হাওড়া পৌঁছবে।
এই ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছেড়ে ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, নিউ ফরাক্কা, মালদা সহ একাধিক স্টেশনে দাঁড়াবে। ফলে ওই সব এলাকার যাত্রীদেরও সুবিধা হবে। এি ট্রেনে থাকছে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস, স্লিপার ক্লাস ও এসি কোচ।
কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশাল ট্রেন
পুজোর মরসুমে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে কলকাতা ও নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে বিশেষ ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। ১৭ অক্টোবর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনি ও রবিবার চলবে 03129 নম্বর কলকাতা-নিউ জলপাইগুড়ি পুজো স্পেশাল ট্রেন। ট্রেনটি কলকাতা থেকে রাত ১১টা ১০ মিনিটে ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছবে। ফেরার সময় 03130 নম্বর নিউ জলপাইগুড়ি-কলকাতা পুজো স্পেশাল চলবে ১৮ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতি রবিবার ও সোমবার ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে ছাড়বে। কলকাতায় পৌঁছবে পরের দিন রাত ১২টা ৪০ মিনিটে। আসা ও যাওয়া, দুই দিকেই ট্রেনটি নৈহাটি, ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, নিউ ফরাক্কা এবং মালদহ টাউন স্টেশনে দাঁড়াবে। এই পুজো স্পেশাল ট্রেনে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস, স্লিপার ক্লাস এবং এসি কামরার ব্যবস্থা থাকবে।
শীঘ্রই শুরু টিকিট বুকিং
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ ট্রেনগুলির টিকিট বুকিং কবে থেকে শুরু হবে, তা শীঘ্রই জানিয়ে দেওয়া হবে। বুকিং শুরু হলে যাত্রীরা আসনের সংখ্যা ও অ্যাভেইলিবিলিটি দেখে নিজেদের সফরের পরিকল্পনা করতে পারবেন।