প্রতীকি ছবিজাল সিম কার্ড কাণ্ডের তদন্তে নেমে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই উদ্ধার করেছে ৩৫টি জাল সিম কার্ড। এছাড়া POS মেশিন-সহ একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে বলেন জালিয়াতির মাধ্যমে সিম কার্ড ইস্যুর বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে নেমে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫টি জাল সিম কার্ড।
পুলিশ জানিয়েছে, নথি জাল করে এই সিম কার্ডগুলো ইস্যু করা হয়েছে। আর সেই ফেক সিম কার্ড দিয়েই একাধিক জালিয়াতি করা হয়েছে। যার মধ্য়ে রয়েছে সাইবার জালিয়াতি, ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট, ব্যাঙ্ক জালিয়াতিসহ আরও একাধিক অপরাধ। এই ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতরা বেশ কিছু সময় ধরে জলপাইগুড়ির বিভিন্ন অংশে এইধরনের কারবার চালাচ্ছিল।
পুলিশ আরও জানিয়েছে ১৭২টি সিম কার্ড বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। এই বিষয়টা সামনে আসার পরই রাজ্য সাইবার সেল থেকেও জেলা পুলিশকে সতর্ক করা হয়। সেই সূত্র ধরেই শুরু হয় পুলিশি অভিযান। তখনই জানা যায় মালবাজার-সহ একাধিক এলাকায় নথি জাল করে একাধিক সিম কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নথি জাল করে একাধিক সিম কার্ড ইস্যুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। POS সিস্টেমের সাহায্যে সিম তোলা হত। NCRB থেকে অভিযোগ আসে, জেলার ১৭২টি সিম কার্ড ব্যবহার করে দেশজুড়ে প্রতারণা করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি করা হয়েছে।
রিপোর্টার : রাজেন প্রধান