Hasimara Accident Death: কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক মৃত্যু, হাসিমারায় গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল ৪ চা শ্রমিকের

Hasimara Accident Death: গুরুতর জখম সাতজনকে লতাবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম রজনী ওরাওঁ, পুষ্পা দোরজি, বেরথা খাড়িয়া ও অগস্টিনা খাড়িয়া। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল, কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক মৃত্যু, হাসিমারায় গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল ৪ চা শ্রমিকেরদুর্ঘটনায় মৃত ৪ শ্রমিক

Hasimara Accident Death: কাজের খোঁজে ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু আর ফেরা হল না। শনিবার সকালে ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ের ধারে হাসিমারার ১০ নম্বর এলাকায় দ্রুতগতির একটি ছোট গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন চার মহিলা চা শ্রমিক। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও তিনজন। মৃত ও আহতরা সকলেই বন্ধ ভার্নোবাড়ি চা বাগানের শ্রমিক বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, জয়গাঁমুখী একটি দ্রুতগতির গাড়ি সাইকেলে করে কাজে যাওয়া একদল শ্রমিককে পিষে দেয়। বাগান বন্ধ থাকায় তাঁরা এদিন সকালে পার্শ্ববর্তী বিচ চা বাগানে ঠিকা কাজে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পরেই স্থানীয়রা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গাড়ি সহ চালককে আটক করেছে পুলিশ।

গুরুতর জখম সাতজনকে লতাবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম রজনী ওরাওঁ, পুষ্পা দোরজি, বেরথা খাড়িয়া ও অগস্টিনা খাড়িয়া। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল, কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চা শ্রমিকরা। এশিয়ান হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। অবরোধের জেরে উত্তরবঙ্গের লাইফলাইন কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসিমারা ও জয়গাঁ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

দুপুরে আলিপুরদুয়ারের ডেপুটি শ্রম কমিশনার গোপাল বিশ্বাস আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আগামী ২ মার্চ বাগান খোলার দাবিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর ধীরে ধীরে অবরোধ ওঠে।

কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন বাগান বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন। জীবিকার তাগিদে তাঁদের অন্যত্র কাজ করতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। ঘটনাস্থলে তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বীরেন্দ্র বরা ওরাওঁ-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত হয়ে ধরনায় বসেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলেছে বন্ধ চা বাগানের ভবিষ্যৎ ও শ্রমিক নিরাপত্তা নিয়ে। প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে উত্তরবঙ্গ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement