South Dinajpur Murder Case News: ঘরে ঢুকে যুবকের গলা কাটল আততায়ীরা, দক্ষিণ দিনাজপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য

South Dinajpur Murder Case News: স্ত্রী কৃষ্ণাকে নিয়ে অভিনেতা দেবকে দেখতে চকরামরায় এলাকায় গিয়েছিলেন সুজিত। সেখান থেকে ফিরে সন্ধ্যায় গ্রামের কীর্তনের আসরেও যোগ দেন তিনি। কিন্তু কে জানত, সেই আনন্দই বিষাদে পরিণত হবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে! রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে, যখন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ হরিনাম কীর্তনে মগ্ন, সেই নির্জনতার সুযোগ নেয় আততায়ীরা।

Advertisement
ঘরে ঢুকে যুবকের গলা কাটল আততায়ীরা, দক্ষিণ দিনাজপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যSouth Dinajpur Murder Case News: ঘরে ঢুকে যুবকের গলা কাটল আততায়ীরা, দক্ষিণ দিনাজপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য

South Dinajpur Murder Case News: রবিবাসর রাতে নৃশংসভাবে ক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ এলাকায় নিজের ঘরেই খুন হলেন বছর তিরিশের যুবক সুজিত দাস। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলা কেটে দেয় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে এলাকা। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই মৃতের স্ত্রী কৃষ্ণা দাসকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। নেপথ্যে কি ত্রিকোণ প্রেম না কি অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা? উত্তর খুঁজছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবারের দুপুরটা আনন্দেই কাটিয়েছেন নিহত সুজিত। স্ত্রী কৃষ্ণাকে নিয়ে অভিনেতা দেবকে দেখতে চকরামরায় এলাকায় গিয়েছিলেন সুজিত। সেখান থেকে ফিরে সন্ধ্যায় গ্রামের কীর্তনের আসরেও যোগ দেন তিনি। কিন্তু কে জানত, সেই আনন্দই বিষাদে পরিণত হবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে! রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে, যখন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ হরিনাম কীর্তনে মগ্ন, সেই নির্জনতার সুযোগ নেয় আততায়ীরা। অভিযোগ, সুজিতকে তাঁর বাড়ির ভেতরেই প্রথমে বেঁধে ফেলা হয় এবং তারপর ঠান্ডা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে চালানো হয় কোপ। প্রাণ বাঁচাতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘর থেকে বেরিয়ে প্রায় ৫০ মিটার দৌড়ে রাস্তায় চলে আসেন সুজিত। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হরিবাসর থেকে ফেরার পথে গ্রামবাসীরা তাঁকে রাস্তার ওপর ছটফট করতে দেখেন। তড়িঘড়ি কুমারগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃতের বাবা অজিত দাস ওই সময় বাড়িতেই ছিলেন, কিন্তু তিনি বয়সজনিত কারণে কানে কম শোনেন। তাই পাশের ঘরে কী হচ্ছে তা বিন্দুমাত্র টের পাননি। অন্যদিকে, অনুষ্ঠান থেকে ফিরে ছেলের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা লক্ষ্মী দাস। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই খুনের নেপথ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা ত্রিকোণ প্রেমের টানাপোড়েন থাকতে পারে। খুনের সময় ঘরে আর কেউ ছিল কি না বা আততায়ীরা কীভাবে প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে। গোটা গ্রামে এখন শুধুই আতঙ্ক আর শোকের ছায়া।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement