দুর্গাপুজো করলে দেখে নেওয়ার হুমকি! কাঠগড়ায় মালদার BJP কাউন্সিলর

মহিলা কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে 'দিদিগিরি'। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও। পুজো করলে নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখে নেওয়া হবে। কাউন্সিলর নাকি এই হুমকি দেন। আর এই হুমকিকে কেন্দ্র করেই নাকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের পর মালদার বিজেপি নেত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার ২৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কৃষ্ণা নাথের ‘দিদিগিরি’র ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

Advertisement
দুর্গাপুজো করলে  দেখে নেওয়ার হুমকি! কাঠগড়ায় মালদার BJP কাউন্সিলরকাঠগড়ায় মালদার বিজেপি কাউন্সিলর

মহিলা কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে 'দিদিগিরি'। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও। পুজো করলে নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখে নেওয়া হবে। কাউন্সিলর নাকি এই হুমকি দেন। আর এই হুমকিকে কেন্দ্র করেই নাকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের পর মালদার বিজেপি নেত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার ২৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কৃষ্ণা নাথের ‘দিদিগিরি’র ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের পর মালদার বিজেপি নেত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার ২৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথের ‘দিদিগিরি’ ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আয়োজনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে। পুজো করলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি মালদার কৃষ্ণপল্লীর গোসাই মাঠ এলাকার।

স্থানীয় মহিলাদের অভিযোগ, রবিবার, ২৩ অগাস্ট রাতে এলাকায় দুর্গাপুজো আয়োজন নিয়ে একটি বৈঠক চলছিল। সেই সময় আচমকাই সেখানে হাজির হন ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা। অভিযোগ,কাউন্সিলরের উপস্থিতিতেই বৈঠকে থাকা মহিলাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং পরে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এমনকী, পুজো করলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে কাউন্সিলরকে হাতাহাতির ঘটনা স্বীকার করতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি অভিযোগকারী মহিলাদের। 

 মহিলাদের প্রশ্ন, তাঁরা হিন্দু, যাঁরা পুজোয় বাধা দিচ্ছেন তাঁরাও হিন্দু। তাহলে দুর্গাপুজোয় আপত্তি কোথায়? কেনই বা পুজো করতে দেওয়া হবে না? ঘটনার পর ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি বলেও দাবি মহিলাদের। বিষয়টি তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী মহিলারা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

যদিও অভিযোগের বিষয়ে বিজেপি কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথ দাবি করেন, যাঁরা অভিযোগ করছেন সেটা পুরো মিথ্যে অভিযোগ। এই ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় থেকে সাতটি পুজো হয়। আমার আমলেই বাপুজি কলোনি সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় নতুন পুজো শুরু হয়েছে। সবাইকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু এখানে বিষয়টি অন্য। এখানে কিছু সিপিএমের লোক সমাজকে বিভক্ত করে শাসন চালু করতে চাইছে। এখানে ৫০ মিটারের মধ্যে শতাধিক প্রাচীন একটি পুজো হয়। এই নবকৃষ্ণ পল্লীর মানুষজনই আমাকে লিখিত আকারে জানিয়েছিল এখানে আরও একটি পুজো হলে এই পুজোর জৌলুস কমে যাবে। সেই সঙ্গে এই ছোট জায়গায় আবার পুজো হলে সাধারণ নাগরিকের উপর চাঁদার বোঝা বাড়বে, নাগরিকরা আমাকে লিখিত আকারে সেটাও জানিয়েছিল। এটা আমার বিরুদ্ধে সিপিএম চক্রান্ত করছে। 

Advertisement

রিপোর্টারঃ মিলটন পাল

POST A COMMENT
Advertisement