Malda Murder Case: গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করে পালাল মুখঢাকা দুষ্কৃতীরা, ইংরেজবাজারে নৃশংস ঘটনা

Malda Murder Case: দোলের দিন থেকে মিলকির গোসাইপুর এলাকায় কীর্তনের আসর বসেছে। শনিবার রাতে সাথীদেবীর স্বামী কালীপদ মণ্ডল তাঁর ছেলেমেয়েদের নিয়ে সেই আসরে গিয়েছিলেন। শরীর ভালো না থাকায় বাড়িতে একাই ছিলেন সাথীদেবী।

Advertisement
গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করে পালাল মুখঢাকা দুষ্কৃতীরা, ইংরেজবাজারে নৃশংস ঘটনামালদায় গৃহবধূ খুন (প্রতীকী ছবি)

Malda Murder Case: বাড়ির অদূরেই চলছিল হরিনাম সংকীর্তন। খোল-করতালের শব্দে মগ্ন ছিল গোটা পাড়া। সেই সুযোগেই হানা দিল দুষ্কৃতী দল। আর বাধা দিতে গিয়েই প্রাণ হারালেন এক গৃহবধূ। মালদার ইংরেজবাজার থানার মিলকি গ্রাম পঞ্চায়েতের আনন্দমোহনপুর এলাকায় এই নৃশংস খুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সাথী মণ্ডল (৪৫) নামে ওই গৃহবধূকে তাঁর নিজের শোওয়ার ঘরেই কুপিয়ে ও মাথা থেঁতলে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। খুনের পর লুঠপাট চালিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশ কুকুর এনে তল্লাশি চালালেও এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দোলের দিন থেকে মিলকির গোসাইপুর এলাকায় কীর্তনের আসর বসেছে। শনিবার রাতে সাথীদেবীর স্বামী কালীপদ মণ্ডল তাঁর ছেলেমেয়েদের নিয়ে সেই আসরে গিয়েছিলেন। শরীর ভালো না থাকায় বাড়িতে একাই ছিলেন সাথীদেবী। রাত দেড়টা নাগাদ কীর্তন সেরে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, এক মুখ ঢাকা দুষ্কৃতী অস্ত্র হাতে বাড়ির পিছন দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। ঘরের ভিতর ঢুকে তাঁরা দেখেন, মেঝেতে রক্তে ভেসে যাচ্ছেন সাথীদেবী। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃতার স্বামী কালীপদ মণ্ডলের অনুমান, বাড়িতে পুরুষ মানুষ নেই বুঝে অলঙ্কার লুঠ করতেই ঢুকেছিল দুষ্কৃতীরা। বাধা দেওয়াতেই তাঁর স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। দেহটি উদ্ধারের পর দেখা গিয়েছে, মহিলার মাথা থেঁতলানো এবং শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দুষ্কৃতীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়েছিল সাথীদেবীর। একা পেয়েও তিনি প্রবল বাধা দিয়েছিলেন, যার পরিণতি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড।

এলাকাবাসীর মধ্যে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারণ, হোলির দিন রাতেও মিলকির গোসাইপুর এলাকায় একই কায়দায় এক মহিলার ওপর হামলা চালিয়ে সোনাদানা লুঠ করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আনন্দমোহনপুরে এই খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কি একই গ্যাং এই এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে? সেই দিকটি খতিয়ে দেখছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, অপরাধীদের ধরতে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement