গো-হত্যার অভিযোগে মালদার গাজোলে গ্রেফতার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সহ চার

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তৎপরতার সঙ্গে তদন্তে নামে পুলিশ বাহিনী। প্রাথমিক তদন্তের পর গাজোল থানার পুলিশ গত শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন বয়স পঞ্চাশ, আসতাক হোসেন বয়স বাষট্টি এবং পাঁচু শেখ বয়স পঞ্চান্ন নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর শনিবারই ধৃত ওই তিনজনকে জেলা আদালতে তোলা হয়েছিল।

Advertisement
গো-হত্যার অভিযোগে মালদার গাজোলে গ্রেফতার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সহ চারগো-হত্যার অভিযোগে মালদার গাজোলে গ্রেফতার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সহ চার

গো হত্যার অভিযোগে শাসকদলের এক স্থানীয় নেতা সহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করল গাজোল থানার পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই গোটা এলাকায় রাজনৈতিক ও জনমানসে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে গত ২৫ জুন রাতে গাজোলের অর্জুনপুর এলাকায় প্রথম গো হত্যার ঘটনাটি ঘটে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তৎপরতার সঙ্গে তদন্তে নামে পুলিশ বাহিনী। প্রাথমিক তদন্তের পর গাজোল থানার পুলিশ গত শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন বয়স পঞ্চাশ, আসতাক হোসেন বয়স বাষট্টি এবং পাঁচু শেখ বয়স পঞ্চান্ন নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর শনিবারই ধৃত ওই তিনজনকে জেলা আদালতে তোলা হয়েছিল।

তদন্তে নেমে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দফায় দফায় জেরা শুরু করে পুলিশ। ধৃতদের জেরা করেই এই ঘটনার এক চাঞ্চল্যকর মোড় সামনে আসে। পুলিশ জানতে পারে যে এই পুরো ঘটনার নেপথ্যে মূল মাথা হিসেবে জড়িয়ে রয়েছেন স্থানীয় এক প্রভাবশালী শাসকদল নেতা। তিনি আবার গাজোল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য কালিম কাওসার।

এই তথ্য হাতে আসার পরই শনিবার রাতে পশ্চিম সুন্দরপুর এলাকায় অতর্কিতে এক অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কালিম কাওসারকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার ধৃত তৃণমূল নেতাকে জেলা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ যুক্ত কি না তা জানতে তদন্ত জারি রেখেছে গাজোল থানার পুলিশ।

 

POST A COMMENT
Advertisement