Migrant Worker Death: ফের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু, এবার চেন্নাইয়ে উদ্ধার ক্ষতবিক্ষত দেহ

ফের ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের। চেন্নাইয়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল মালদার আলমগীর আলমের (২৯) দেহ। জানা যাচ্ছে, আটদিন নিখোঁজ থাকার পর চেন্নাইয়ের একটি রেললাইনের ধারের জঙ্গল থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement
 ফের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু, এবার চেন্নাইয়ে উদ্ধার ক্ষতবিক্ষত দেহচেন্নাইয়ে কাজে গিয়ে ৮ দিন ধরে নিখোঁজ, অবশেষে জঙ্গলে মিলল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের নিথর দেহ

ফের  ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের।  চেন্নাইয়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল মালদার আলমগীর আলমের (২৯) দেহ।  জানা যাচ্ছে, আটদিন নিখোঁজ থাকার পর চেন্নাইয়ের একটি রেললাইনের ধারের জঙ্গল থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছে। আলমগীরের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

আলমগীর আলমের  বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের মশালদহ এলাকায়।  এই পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রী হাবানুর খাতুন বলেন, ‘আমার দুই সন্তান রয়েছে। ও পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিল। আমাদের মাথার উপরে আকাশ ভেঙে পড়েছে।’  হরিশ্চন্দ্রপুরের মশালদহ বাজারের াসিন্দা আলমগীর রুটিরুজির টানে পাড়ি দিয়েছিলেন সদূর চেন্নাইয়ে। পরিবার সূত্রে খবর, দিন নয়েক আগে অন্য কাজও পান তিনি। যাওয়ার কথা ছিল হায়দরাবাদে। ট্রেনে ওঠার আগে স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আলমগীর। কিন্তু তার পর থেকে আর তাঁর কোনও খোঁজ ছিল না। বার বার তাঁর মোবাইলে ফোন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে তাঁকে।

নিখোঁজ থাকার আট দিন পর আলমগীরের দেহ উদ্ধার হল। চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার ট্রেনে ওঠার কথা ছিল আলমগীরের, তার পরের স্টেশনে কাছে জঙ্গলের ধারে রেললাইনের পাশে পাওয়া যায় ক্ষতবিক্ষত দেহ। পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছোতেই শোকের ছায়া নেমে আসে গ্রামে। পরিবারের দাবি, আলমগীরকে কেউ বা কারা খুন করে দেহ রেললাইনের ধারে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল।

আলমগীর ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। তাঁর মৃত্যুতে দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে অথৈ জলে পড়েছেন স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, এই কঠিন সময়ে এখনও পর্যন্ত কোনও জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনিক আধিকারিক তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। এদিকে, এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূলের বাগযুদ্ধ। জেলা বিজেপি সম্পাদক রূপেশ আগরওয়ালের অভিযোগ, রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই বলেই বাইরে গিয়ে শ্রমিকদের মর্মান্তিক পরিণতি হচ্ছে। পালটা তৃণমূল ব্লক আইএনটিটিউসি সভাপতি সাহেব দাসের অভিযোগ, কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে শ্রমিকদের বিপাকে ফেলেছে। এমনকি ভিনরাজ্যে বাংলার শ্রমিকদের বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে বলেও দাবি শাসকদলের। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement