Minor Girl Kidnapping Case Malda: নাবালিকাকে অপহরণ করে দিল্লিতে পাচারের ছক, মালদা থেকে ধৃত মূল অভিযুক্তের বাবা

Minor Girl Kidnapping Case Malda: মূল অভিযুক্ত অধরা থাকলেও, তার বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম আব্দুল মালেক (৪৩)। তাঁর বাড়ি মালদা জেলার গাজোল থানার মহানগর গ্রামে। অপহৃত নাবালিকা উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থানার মান্নাই গ্রামের বাসিন্দা। ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ে।

Advertisement
নাবালিকাকে অপহরণ করে দিল্লিতে পাচারের ছক, মালদা থেকে ধৃত মূল অভিযুক্তের বাবানাবালিকাকে অপহরণ করে দিল্লিতে পাচারের ছক, মালদা থেকে ধৃত মূল অভিযুক্তের বাবা

Minor Girl Kidnapping Case Malda: প্রেমে টান নাকি অন্য কোনো ছক? নবম শ্রেণীর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে দিল্লিতে লুকিয়ে রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল মালদার এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অধরা থাকলেও, তার বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম আব্দুল মালেক (৪৩)। তাঁর বাড়ি মালদা জেলার গাজোল থানার মহানগর গ্রামে। অপহৃত নাবালিকা উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থানার মান্নাই গ্রামের বাসিন্দা। ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই নাবালিকাকে নানাভাবে উত্যক্ত করছিল অভিযুক্ত যুবক। পরবর্তীতে তাকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে সুদূর দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে লুকিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ। নাবালিকা মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে শেষমেশ ইটাহার থানার দ্বারস্থ হন তার বাবা বাবলু হোসেন। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে পুলিশ।

শনিবার মূল অভিযুক্তের বাবা আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করে ইটাহার থানার পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) আইনের ১৩৭(২) এবং ১৪০(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শনিবারই তাকে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। মূল অভিযুক্তের খোঁজে এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করতে দিল্লির পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তল্লাশি চালাচ্ছে ইটাহার থানার পুলিশ।

ঘটনার নেপথ্যে: কী ঘটেছিল অতীতে?
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই অপহরণের ঘটনাটি হুট করে ঘটেনি। এর পেছনে রয়েছে বেশ কিছুদিনের পুরনো ইতিহাস। মাসখানেক আগে গাজোলের বাসিন্দা ওই অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে ইটাহারের ওই নাবালিকার পরিচয় হয়। যুবকের এক আত্মীয় মান্নাই গ্রামে থাকায়, সেখানে তার নিত্য যাতায়াত ছিল। সেই সূত্রেই নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে সে।

পরিবারের দাবি, মেয়েটিকে এর আগেও রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করত ওই যুবক। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় স্তরে একবার সালিশি সভাও বসেছিল এবং যুবককে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও স্বভাব বদলায়নি তার। সুযোগ বুঝেই নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে ভিন রাজ্যে চম্পট দেয় সে। এই চক্রের পেছনে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement