Darjeeling Tea Garden Problem: পুজো বোনাস মিলবে? ফার্স্ট ফ্লাস চা তোলা নিয়ে জটিলতায় আশঙ্কা পাহাড়ে

Darjeeling Tea Garden Problem: ৮ ফেব্রুয়ারি মিরিকে অজয়ের পার্টি ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের তরফে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। যে তিনটি দাবিকে সামনে রাখা হয়েছে তার প্রথমেই রয়েছে, ফার্স্ট ফ্লাসের চা তোলার আগে ২০ শতাংশ হারে পুজোর বোনাস মেটাতে হবে।

Advertisement
পুজো বোনাস মিলবে? ফার্স্ট ফ্লাস চা তোলা নিয়ে জটিলতায় আশঙ্কা পাহাড়েপুজো বোনাস নিয়ে অচলাবস্থার আশঙ্কা পাহাড়ের চা-বাগানে, ফার্স্ট ফ্ল্যাশ তোলা নিয়ে আশঙ্কা

Darjeeling Tea Garden Problem: পাহাড়ের চা বাগান শ্রমিকদের পুজো বোনাস নিয়ে এখনও মীমাংসা হল না। যার ফলে পাহাড়ের চা বাগানগুলি থেকে ফার্স্ট ফ্লাস চা পাতা তোলা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। পাহাড়ের নতুন গঠিত রাজনৈতিক দলের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ২০ শতাংশ হারে বোনাস না দিলে ফার্স্ট ফ্লাসের চা পাতা তুলতে দেওয়া হবে না। এদিকে এই মাসেই শুখা মরশুম শেষে পাতা তোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বিভিন্ন বাগানে। তার মধ্যে এমন হুঁশিয়ারি সমস্য়া তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে অন্য সংগঠনগুলি এই হুঁশিয়ারির বিরোধিতাও করেছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি মিরিকে অজয়ের পার্টি ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের তরফে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। যে তিনটি দাবিকে সামনে রাখা হয়েছে তার প্রথমেই রয়েছে, ফার্স্ট ফ্লাসের চা তোলার আগে ২০ শতাংশ হারে পুজোর বোনাস মেটাতে হবে। দ্বিতীয়ত, চা বাগানের শ্রমিকদের পাঁচ ডেসিমাল জমির পাট্টা দেওয়া চলবে না। শ্রমিকদের দখলে থাকা পুরো জমির পাট্টা দিতে হবে। তৃতীয়ত, চা শিল্পে দ্রুত ন্যূনতম মজুরি চুক্তি কার্যকর করতে হবে।

পাহাড়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ফার্স্ট ফ্লাসের চা পাতা তোলার নির্দেশিকা দিয়েছে ভারতীয় চা পর্ষদ। ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের নেতা মহেন্দ্র ছেত্রী জানিয়েছেন, চা শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা মেনে নেওয়া হবে না। শ্রমিকদের দাবি মেটাতে হবে, তারপরই চা বাগানে কাজ হবে।’  অন্যদিকে জিটিএ-তে থাকা ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার (BGPM) তরফে শক্তিপ্রসাদ শর্মা জানিয়েছেন, চা বাগান শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে এই শিল্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। শ্রবাগান খুললে সব শ্রমিকই কাজে যাবেন। ফলে গোলমালের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নব গঠিত ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি অজয় এডওয়ার্ড হুমকি দিয়েছেন বোনাসের দাবি নিষ্পত্তি  না হওয়া পর্যন্ত ফার্স্ট ফ্লাসের চা পাতা তুলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, পুজো বোনাসের এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। শ্রম দফতর সেই সমস্যা মেটাক। তারপরই পাহাড়ের বাগানে চা পাতা তুলতে দেওয়া হবে।’ শ্রম দফতরের তরফে চা বাগানের বোনাস নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাওয়া হয়নি কারও তরফেই। 

Advertisement

পাহাড়ের চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ পুজো বোনাসের দাবি ছিল। কিন্তু মালিক এবং শ্রমিকপক্ষের মধ্যে আলোচনায় কোনও সমাধান না বের হওয়ায় শ্রম দফতর ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার নির্দেশ দিয়। সেই অনুযায়ী বোনাস মিটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শ্রমিক সংগঠনগুলির দাবি ২০ শতাংশ হারেই বোনাস দিতে হবে। পুজোর পরও রাজ্যের তরফে একবার বৈঠক করা হয়েছে, কিন্তু সমস্যা মেটেনি।

 

POST A COMMENT
Advertisement