Shankar Ghosh Hunger Strike: তহবিলের টাকা আটকে রাখার অভিযোগ, অনশনে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ

Shankar Ghosh Hunger Strike: অনশন মঞ্চ থেকে শংকর ঘোষ দাবি করেন, গত পাঁচ বছরে তাঁর বিধানসভা এলাকার জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও খরচ করতে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯০ লক্ষ টাকা। বাকি অর্থ নানা অজুহাতে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।

Advertisement
তহবিলের টাকা আটকে রাখার অভিযোগ, অনশনে শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষঅনশনে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ

Shankar Ghosh Hunger Strike: বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল বা বিইইউপি-র টাকা আটকে রাখার অভিযোগে বৃহস্পতিবার সকালে শিলিগুড়ি শহরের নেতাজি মূর্তির পাদদেশে ২৪ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে বসলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ও বিধানসভার মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রশাসনিক অসহযোগিতা করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের উন্নয়নের টাকা আটকে রাখা হচ্ছে।

অনশন মঞ্চ থেকে শংকর ঘোষ দাবি করেন, গত পাঁচ বছরে তাঁর বিধানসভা এলাকার জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও খরচ করতে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯০ লক্ষ টাকা। বাকি অর্থ নানা অজুহাতে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, জেলা প্রশাসনের ছাড়পত্র না মেলায় অন্তত ন’টি বড় উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং প্রায় ১০২টি ছোট কাজ ঝুলে রয়েছে। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে জানানো হলেও কোনও সমাধান মেলেনি বলে দাবি করেন তিনি। অনশন থেকে শংকর ঘোষ বলেন, প্রশাসনকে ব্যবহার করে উন্নয়ন আটকে রাখা হচ্ছে এবং নাগরিক স্বার্থ রক্ষার জন্যই তিনি এই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন।

অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়কের এই অনশনকে কটাক্ষ করেছে শাসকদলের নেতৃত্ব। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের দাবি, বিধায়ক সঠিক নিয়ম মেনে প্রকল্পের প্রস্তাব না পাঠানোর কারণেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। মেয়রের অভিযোগ, ভোটের মুখে রাজনৈতিক প্রচারের জন্যই এই অনশন এবং অভিযোগগুলির বাস্তব ভিত্তি নেই।

এদিকে, অনশনকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নেতাজি মোড় এলাকায় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ভিড় দেখা যায়। শংকর ঘোষ অনশন মঞ্চ থেকে পানীয় জল ও নিকাশির মতো একাধিক নাগরিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। প্রশাসন দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

 

POST A COMMENT
Advertisement