Siliguri Paramedical Scam: ভুয়ো প্যারামেডিক্যাল কলেজ খুলে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, শিলিগুড়িতে গ্রেফতার তিন

Siliguri Education Scam: ২০২৫ সালের মাঝামাঝি শিলিগুড়ির কাছে শালবাড়ি এলাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্যারামেডিক্যাল কোর্স চালু করার বিজ্ঞাপন দেয়। চাকরির আশ্বাস ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিম ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক ছাত্রী সেখানে ভর্তি হন।

Advertisement
ভুয়ো প্যারামেডিক্যাল কলেজ খুলে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, শিলিগুড়িতে গ্রেফতার তিনভুয়ো প্যারামেডিক্যাল কলেজ খুলে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, শিলিগুড়িতে গ্রেফতার তিন

Siliguri Education Scam: প্যারামেডিক্যাল কোর্সে ভর্তি করানোর নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে শিলিগুড়িতে চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ। রবিবার ধৃতদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হলে তিন দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি শিলিগুড়ির কাছে শালবাড়ি এলাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্যারামেডিক্যাল কোর্স চালু করার বিজ্ঞাপন দেয়। চাকরির আশ্বাস ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিম ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক ছাত্রী সেখানে ভর্তি হন। দেড় বছরের কোর্সের জন্য এক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ভর্তি ফি ৩০ হাজার টাকা এবং পোশাক বাবদ ৬ হাজার টাকা আলাদা করে আদায় করা হয়।

অভিযোগ, ভর্তি নেওয়ার সময় নার্সিং, অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন মেডিক্যাল ট্রেনিংয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তা শুরু হয়নি। প্রথমে থিওরিটিক্যাল ক্লাস চালু হলেও প্র্যাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই শিক্ষকদের তরফে ভোকেশনাল কোর্সের কথা বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীদের মধ্যে সন্দেহ বাড়তে থাকে।

শনিবার ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের সঙ্গে ম্যানেজমেন্টের তীব্র বচসা শুরু হয়। রবিবার উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিভাবকেরা শালবাড়িতে পৌঁছে বিক্ষোভে শামিল হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে প্রধাননগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন জন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের নাম কিরণ রাই, কেবল খাওয়াস এবং শ্রীজনা কারকে।

প্রধাননগর থানার আইসি বাসুদেব সরকার জানান, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। প্যারামেডিক্যাল কোর্সের নামে ভর্তি নিয়ে পরে কোর্স বদলের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সংস্থার ডিরেক্টর কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই ব্যক্তি বিহারের বাসিন্দা। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী ও অভিভাবকদের দাবি, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। কেউ কেউ কিস্তিতে টাকা দিয়েছেন, কেউ আবার একবারে পুরো অর্থ জমা করেছেন। অনেক পরিবার ধার করে বা গয়না বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেছিলেন বলে জানান তাঁরা। পুলিশের আশ্বাস, গোটা ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement