Siliguri Paramedical Fraud: শিলিগুড়িতে প্যারামেডিক্যাল সংস্থায় জালিয়াতির অভিযোগ, গ্রেফতার, ৭ আদালতে তোলপাড়

Siliguri Paramedical Fraud: শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিক তদন্তে সংস্থা পর্যাপ্ত নথি দেখাতে পারেনি। সেই কারণেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

Advertisement
শিলিগুড়িতে প্যারামেডিক্যাল সংস্থায় জালিয়াতির অভিযোগ, গ্রেফতার, ৭ আদালতে তোলপাড়ভুয়ো প্যারামেডিক্যাল কলেজ খুলে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, শিলিগুড়িতে গ্রেফতার তিন

Siliguri Paramedical Fraud: শিলিগুড়িতে ফের এক প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউশনকে ঘিরে জালিয়াতির অভিযোগ সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই মহিলা-সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন সংস্থার তিন ডিরেক্টর, অধ্যক্ষ এবং দুই মহিলা কর্মী। মঙ্গলবার তাঁদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক দুই মহিলাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত এবং বাকি অভিযুক্তদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা এক ছাত্রী অভিযোগ দায়ের করেন যে, প্যারামেডিক্যাল কোর্সের নামে ভর্তি নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নথিপত্রে ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। অভিযোগকারীর দাবি, প্যারামেডিক্যাল কোর্সের কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হলেও বাস্তবে তা ভোকেশনাল কোর্স। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং অন্যান্য কয়েকজন ছাত্রী।

শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিক তদন্তে সংস্থা পর্যাপ্ত নথি দেখাতে পারেনি। সেই কারণেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য, প্যারামেডিক্যাল কোর্সের নামে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, সংস্থার পক্ষ থেকে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রায় ৩০-৩৫ জন ছাত্রী আদালত চত্বরে এসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা ভোকেশনাল ট্রেনিংয়েই ভর্তি হয়েছিলেন এবং অনেকেই ইতিমধ্যে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় চাকরিও পেয়েছেন। সংস্থার এক কর্মীর দাবি, প্রতিদ্বন্দ্বী একটি প্রতিষ্ঠানের প্ররোচনায় এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার জেরে শিক্ষা মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। প্যারামেডিক্যাল ও ভোকেশনাল কোর্সের স্বীকৃতি, নথিপত্র এবং ছাত্রছাত্রীদের স্বচ্ছ তথ্য দেওয়ার বিষয়টি কতটা মানা হচ্ছে? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। আবার একাংশ ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি, কোনও অনিয়ম হয়নি। ফলে তৈরি হয়েছে ধন্দ।

 

POST A COMMENT
Advertisement