Cpm Leader Killed South Dinajpur: নিজের পিস্তলের গুলিতে নিহত বালুরঘাটের সিপিএম নেতা, রহস্য

Cpm Leader Killed South Dinajpur: প্রাথমিক তদন্তে ও পরিবারের দাবি, মূলত মানসিক অবসাদের জেরেই নিজের পিস্তল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই সিপিআইএম নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর থানার পুন্ডুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনাহার গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত সিপিএম নেতার নাম সামসুজ্জামান (৭২)। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সিপিএমের হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির ছিলেন।

Advertisement
নিজের পিস্তলের গুলিতে নিহত বালুরঘাটের সিপিএম নেতানিজের পিস্তলের গুলিতে নিহত বালুরঘাটের সিপিএম নেতা, মৃত্যুতে রহস্য
হাইলাইটস
  • নিজের পিস্তলের গুলিতে নিহত
  • বালুরঘাটের সিপিএম নেতা
  • মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য

Cpm Leader Killed South Dinajpur: নিজের কাছে থাকা পিস্তল থেকে গুলি চালিয়ে এক সিপিএম নেতার আত্মহত্যার ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও কী কারণ তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছে। 

তবে প্রাথমিক তদন্তে ও পরিবারের দাবি, মূলত মানসিক অবসাদের জেরেই নিজের পিস্তল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই সিপিআইএম নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর থানার পুন্ডুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনাহার গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত সিপিএম নেতার নাম সামসুজ্জামান (৭২)। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সিপিএমের হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজনের দাবি, সোমবার সকালে বাড়ির ছাদে নিজের পিস্তল দিয়ে নিজের বুকে গুলি চালিয়ে দেন তিনি। গুলির শব্দ শুনে বাড়ির ছাদে  ছুটে যান পরিবারের অন্য লোকজনেরা। তাঁরা সামসুজ্জামানবাবুকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। এরপরই তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হরিরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর দেওয়া হয় হরিরামপুর থানায়। পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাটে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।

তবে শুধু মানসিক অবসাদ থেকেই একজন পোড়খাওয়া সিপিএম নেতা আত্মঘাতী হলেন, না অন্য কোনও কারণ আছে তা নিয়ে পরিবারের তরফ থেকে কোনও রকম আলোকপাত মেলেনি। পারিবারিক কোনও কারণ থেকেও তিনি হতাশ ছিলেন কি না, তাও স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি তাঁর পিস্তল তাঁর পাশ থেকে উদ্ধার হলেও তাঁকে গুলি চালাতে কেউ দেখেনি। তাই ময়নাতদন্ত বা পোস্টমর্টেম না হলে সম্পূর্ণ সত্যিটা সামনে আসবে না বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশ তাঁর মোবাইল খতিয়ে দেখবে বলে জানা গিয়েছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement