Land Grabbing Racket South Dinajpur: জীবিত বৃদ্ধাকে মৃত দেখিয়ে সম্পত্তি হাতানোর অভিযোগে দক্ষিণ দিনাজপুরে চাঞ্চল্য

Land Grabbing Racket: বৃহস্পতিবার ফাতেমা বেওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অভিযুক্তদের সঙ্গে আমার কোনও রক্তের সম্পর্ক নেই। আমার সম্পত্তি দখলের জন্য সবটাই পরিকল্পনা।” অন্যদিকে আলতাফ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভুল নথি তৈরি হতে পারে।”

Advertisement
জীবিত বৃদ্ধাকে মৃত দেখিয়ে সম্পত্তি হাতানোর অভিযোগে দক্ষিণ দিনাজপুরে চাঞ্চল্যজীবিত বৃদ্ধাকে মৃত দেখিয়ে সম্পত্তি হাতানোর অভিযোগে দক্ষিণ দিনাজপুরে চাঞ্চল্য

Land Grabbing Racket: তপন ব্লকের জমি কেলেঙ্কারিতে নতুন চাঞ্চল্য। অভিযোগ উঠেছে, হজরতপুরের রামনগর এলাকার বৃদ্ধা ফাতেমা বেওয়াকে ২০১৯ সালে “মৃত” দেখিয়ে, তাঁর প্রায় ১৯ শতক জমি বেআইনিভাবে দখল করে নিয়েছেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সহায়ক কর্মী আলতাফ মণ্ডল। অভিযোগ আরও গুরুতর, ফাতেমার সঙ্গে কোনও আত্মীয়তা না থাকা সত্ত্বেও আলতাফ নিজেকে “ওয়ারিশ” দেখিয়ে ওই জমি নিজের স্ত্রী আঞ্জুমান সরকারের নামে নথিভুক্ত করিয়ে ফেলেন।

ফাতেমার পরিবার জানায়, তিন মেয়ের মা ও দুই ছেলের এই বৃদ্ধার সঙ্গে আলতাফের কোনও সম্পর্কই নেই। কিন্তু কাগজপত্রে তাঁকে মৃত দেখিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। মাত্র এক মাস আগে ঘটনাটি পরিবারের চোখে পড়তেই তপন থানায় প্রতারণা ও বেআইনি নামজারি সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার ফাতেমা বেওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অভিযুক্তদের সঙ্গে আমার কোনও রক্তের সম্পর্ক নেই। আমার সম্পত্তি দখলের জন্য সবটাই পরিকল্পনা।” অন্যদিকে আলতাফ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভুল নথি তৈরি হতে পারে।” তবে এই ‘ভুল’ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন ফাতেমার ছেলে মোবারক আলি। তাঁর কথায়, “এটা কোনও ভুল নয়। পরিকল্পনা করে জমি হাতানোর চেষ্টা হয়েছে। দোষীদের শাস্তি চাই। যদি আগে মা মারা যেতেন, আমরা এই জমি ফিরে পাওয়ার অধিকারই পেতাম না।”

জমি হস্তান্তর ও নামজারির দায়িত্ব ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের, তাই এই ঘটনায় বড় কোনও চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তপন ব্লকের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক বিপ্লবকুমার মণ্ডল জানান, “পুরো ঘটনাটি তদন্ত করা হবে। অভিযোগ সত্য হলে জমি প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।”

বামপন্থী আরএসপির লোকাল কমিটির সম্পাদক মমিন মিয়াঁর আরও দাবি, “এই চক্রের সঙ্গে দালালদের পাশাপাশি বড় আধিকারিক এবং শাসক দলের নেতারাও জড়িত থাকতে পারেন। সঠিক তদন্ত হলে আরও বড় দুর্নীতি সামনে আসবে।”

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement