Malda Idols vandalized: বাংলাদেশের ছায়া এপারে! মালদার মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুর

মন্দিরের রাধা-কৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতীরা। এই অভিযোগে উত্তাল মালদা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট সংখ্যক পুলিশ। 

Advertisement
বাংলাদেশের ছায়া এপারে! মালদার মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুরমালদায় মূর্তি ভাঙচুর
হাইলাইটস
  • মন্দিরের রাধা-কৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতীরা
  • এই অভিযোগে উত্তাল মালদা
  • আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট সংখ্যক পুলিশ

মন্দিরের রাধা-কৃষ্ণ মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতীরা। এই অভিযোগে উত্তাল মালদা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট সংখ্যক পুলিশ। 

কী জানা যাচ্ছে?
রাতের অন্ধকারে মালদার হরিবাসর মন্দিরে পাঁচটি মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সব মূর্তির ভাঙা অংশ মন্দিরের কিছুটা দূরের বাগানে পড়ে থাকতে দেখা যায়। 

আর এই ঘটনার খবর চাউর হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট সংখ্যক পুলিশ। যদিও ভাল খবর হল, এলাকার হিন্দু-মুসলিমরা একত্রিত হয়েই দোষীদের শাস্তির দাবি তুলেছে। 

এলাকা সূত্রে জানা যাচ্ছে, হরিবাসর মন্দিরটা বেশ প্রাচীন। এই মন্দিরে কৃষ্ণ ও রাধা সহ মোট ৫টি মূর্তি ছিল। মধ্য রাতে সেই মন্দিরে ঢোকে কিছু দুষ্কৃতী। ওই দুষ্কৃতীরা প্রথমে মন্দিরের ওই মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করে। তারপর মূর্তির ভাঙা অংশ ফেলে দেয় মন্দির সংলগ্ন একটি বাগানে। 

সকালে জানাজানি হয়
রাতে এলাকাবাসীরা মূর্তি ভাঙচুরের কথা জানতে পারেননি। সকাল হতেই তাদের চোখে পড়ে এই দৃশ্য। তারপর লোকমুখে গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে খবর বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর যায় হরিশচন্দ্রপুর থানায়। 

খবর পেয়েই সেখানে উপস্থিত হয়ে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। আইসি মনোজিৎ সরকারের নেতৃত্বেই পুলিশ সেখানে পৌঁছে যায়। তারপর সেখানে পৌঁছে যান চাঁচলের মহকুমা প্রশাসনিক আধিকারিকও। 

কী জানা গেল পুলিশ সূত্রে? 
ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত। দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে পুলিশের তরফে। তবে তদন্ত নিয়ে এখনও কিছু বলতে নারাজ তাঁরা। 

দোষীদের শাস্তি চাইছে...
এই ঘটনায় এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি আরও প্রকট হচ্ছে। দোষীদের একযোগে শাস্তি চাইছে হিন্দু ও মুসলমানরা। সকলেই সৌহান্য ও সৌভাতৃত্বের বার্তা দিচ্ছেন। 

রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে
এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক বিবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার নিন্দা করে এক্স-এ পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। তাই তিনি দোষীদের শাস্তির পক্ষে সওয়াল করেন। এখানেই শেষ না করে তাঁর দাবি, এই ধরনের অপকর্মের ফল ভোগ করতে হবে তৃণমূলকে। মানুষ ভোটবাক্সে তৃণমূলকে জবাব দেবে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement