Adhir Ranjan Chowdhury: 'কতজন ঘুসপেটিয়া ধরা পড়ল?' হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে শুভেন্দু সরকারকে প্রশ্ন অধীরের

কতজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ল, তা সংখ্যা প্রকাশ করে জানাক রাজ্য সরকার। হোল্ডিং সেন্টার প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

Advertisement
'কতজন ঘুসপেটিয়া ধরা পড়ল?' হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে শুভেন্দু সরকারকে প্রশ্ন অধীরেরঅধীর রঞ্জন চৌধুরী
হাইলাইটস
  • কতজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ল?
  • রাজ্য সরকারের কাছে প্রশ্ন করলেন অধীর
  • শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি কংগ্রেস নেতার

কতজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ল, তা সংখ্যা প্রকাশ করে জানাক রাজ্য সরকার। হোল্ডিং সেন্টার প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, 'সরকার যা খুশি তাই করতে পারে। হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে পারে। কিন্তু তাদের জানাতে হবে কত সংখ্যক অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে। কতজনকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে?'

প্রসঙ্গত, ১৩তম লোকসভা গঠনের পর, লালকৃষ্ণ আডবানি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন সংসদে প্রথম প্রশ্ন সূচিবদ্ধ হয়েছিল অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নামে। সে কথা স্মরণ করিয়ে বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা বলেন, 'সাংসদ হিসেবে ১৩তম লোকসভায় আমি প্রথম প্রশ্ন করেছিলাম দেশে থাকা বেআইনি পাকিস্তানিদের সংখ্যা নিয়ে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবানিজিকে বলেছিলাম, শ্বেতপত্র প্রকাশ করে সেই সংখ্যা জানাতে। তেমনই এই রাজ্য সরকারকেও বলব শ্বেতপত্র প্রকাশ করে তারা জানাক, কত সংখ্যক ঘুসপেটিয়া অর্থাৎ অনুপ্রবেশকারীকে ধরা হয়েছে।'

২০১৯ সালে NRC প্রক্রিয়ার পর দেশের প্রথম ডিটেনশন সেন্টারগুলি তৈরি হয় অসমে। এবার তা হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়ে গেল বাংলাতেও। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য তৈরি এই ক্যাম্প। ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের এখান থেকে 'ডিপোর্ট' করে পাঠানো হবে বাংলাদেশে। ৩ জেলার ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে একাধিক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে। এদের খুব শীঘ্রই বিএসএফের মাধ্যমে ‘ডিপোর্ট’ করা হবে। 

২০২৫ সালের ২ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছিল, সেটা মেনেই এবার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় রাজ্যের তরফেও। সেই অনুসারে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কাউকে চিহ্নিত করা হলেই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে ওই হোল্ডিং সেন্টারে। তারপর BSF-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement