BJP Leader Murder: BJP নেতাকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে সোজা মাথায় গুলি, বোলপুরে ভয়াবহ খুন

বোলপুর পুরসভার ত্রিশুলাপট্টির মিলপট্টি এলাকায় ওই বিজেপি নেতাকে খুন করা হল। এদিকে কলকাতা সফরে রয়েছেন খোদ বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।

Advertisement
BJP নেতাকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে সোজা মাথায় গুলি, বোলপুরে ভয়াবহ খুনবোলপুরে বিজেপি নেতা চন্দন ভল্লার দেহ
হাইলাইটস
  • পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি 
  • একটি ফোন আসে এবং তাঁকে বাইরে যেতে বলা হয়
  • পুরো ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে

রাজ্যে ভোটপরবর্তী হিংসা এখনও চলছে। একদিকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপর হামলার ঘটনা ঘটছে, তখন বোলপুরে ভরসন্ধ্যায় বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুন করা হল। একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে মাথায় গুলি করে খুন করা হল বিজেপির বুথ সভাপতি চন্দন ভল্লাকে। তাঁকে গুলি চালিয়েই পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। মাথায় গুলি, ফলে বাঁচানো যায়নি চন্দনকে।

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি 

বোলপুর পুরসভার ত্রিশুলাপট্টির মিলপট্টি এলাকায় ওই বিজেপি নেতাকে খুন করা হল। এদিকে কলকাতা সফরে রয়েছেন খোদ বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সাংগঠনিক বৈঠকে বাম ও তৃণমূল আমলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর হামলার ঘটনার উল্লেখও করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, 'দীর্ঘ লড়াই, সাধনার পর বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। বহু কর্মী বাম জমানায় খুন হয়েছেন। তৃণমূল আমলে আমাদের কয়েকশো কর্মী খুন হয়েছেন। এতগুলো কর্মীর রক্ত ও ত্যাগের উপর দিয়ে হেঁটে এই সরকার তৈরি হয়েছে।' কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতায় আসার পরেও বোলপুরের মতো ঘটনা ঘটছে।

একটি ফোন আসে এবং তাঁকে বাইরে যেতে বলা হয়

চন্দন ভল্লা বোলপুরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বুথ সভাপতি। পরিবার সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ একটি ফোন আসে এবং তাঁকে বাইরে যেতে বলা হয়। ত্রিশুলাপট্টি এলাকায় দুষ্কৃতীরা তাঁর পথ আটকায়। তারপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনার পর স্থানীয়রা বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা যাচ্ছে, মৃত চন্দন স্থানীয় বিজেপি নেতা জাফর বিশ্বাসের সম্পর্কে ভাগ্নে। বস্তুত, এর আগে জাফর বিশ্বাসের উপরেও হামলার চেষ্টা হয়েছিল।

পুরো ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে

ইতিমধ্যই দুর্ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংগ্রহ করা হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান। এক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সেই আতঙ্কের মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে জানান, পুরো ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। আততায়ী ছিল মোট দু’জন এবং দু’জনেরই মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement