
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, দিলীপ ঘোষ ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির, কারা আসল তৃণমূল? তা নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। আদালত বা নির্বাচন কমিশনই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ঘাসফুল শিবিরের এই টানাপোড়েনের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
রবিবার সকালে দিলীপ বলেন, 'তৃণমূলে কে কার সঙ্গে যাচ্ছেন, কারা নতুন কমিটি গড়ছেন বা ভাঙছেন সেগুলি আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। স্পিকার দেখছেন। কমিশন বা হাইকোর্ট ঠিক করবে এসব। কাদের হাতে তহবিল যাবে, কার হাতে দলের রাশ- এসব নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। এসব ওদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। বিধানসভায় যাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণিত করবেন তাঁরাই হবেন। তবে আমরা বিরোধী চাই বিধানসভায়।'
তবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন তিনি। কালীঘাট শিবির কার্যত শেষ বলেও দাবি করেন। বলেন, 'কালীঘাট আগেই ফাঁকা হয়ে গেছে। সেজন্য মমতা নিরাশ। বারুইপুর কাণ্ডে প্রতিবাদে নেমে তো নিজের দলের লোককেই চড় মারলেন। এটা চরম হতাশার প্রকাশ।'
কলকাতা বিমানবন্দরের ভিতরে মসজিদে নমাজ আদায় আপাতত বন্ধ। আগামী সোমবার পর্যন্ত কেউ মসজিদে ঢুকতে পারবেন না। এমন সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। তিনি সাফ জানান, বিমানবন্দরের মতো জায়গায় মন্দির বা মসজিদ থাকা উচিত নয়। তাঁর আরও সংযোজন, 'যাঁরা মসজিদ ব্যবহার করতেন, তাঁরা ছেড়ে দিলে ভালো হয়। দুটো রানওয়ের দরকার। না হলে খুব ঝুঁকি থাকে। বিমান চলাচলেও অনেক বাধা আসে।'

শেখ হাসিনা সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি দেশে প্রত্যাবর্তণ করবেন। সেই ইস্যুতে হাসিনার পাশে দাঁড়ান দিলীপ। সেই দেশে এখন অগণতান্ত্রিক সরকার চলছে বলে দাবি করেন। বলেন, 'বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসা দরকার। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দেশে ফেরার অধিকার আছে। এখন অবৈধ সরকার আছে। গত কয়েকবছরে সেখানে যা চলেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। একটি দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার থাকা প্রয়োজন। এটা বাংলাদেশের ভিতরের ব্যাপার, আশা করছি তারা সামলে নেবে।'