নন্দীগ্রামে ভোটের আগে স্বস্তি কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানেরআগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। কিন্তু প্রচার পর্বের একটি দীর্ঘ সময় জেলেই থাকতে হচ্ছে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। এই অবস্থায় জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মিলনবাবু। রাজ্যের আশ্বাসের পরেও নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। বৃহস্পতিবারই বিষয়টি শুনবেন বলে জানিয়েছিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। সেই মতো বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হয়। এবার হাইকোর্ট সাময়িক স্বস্তি দিল নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে। হাইকোর্টের নির্দেশ, আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। এমনকি ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো যাবে না।
কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট?
আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলায় পদক্ষেপ করা যাবে না বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। প্রসঙ্গত, এর আগে কোর্টে রাজ্য দাবি করেছিল, মিলনের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। যদিও মিলনের আইনজীবী দাবি করেন, রাজ্যের সেই আশ্বাসের পরেও নতুন মামলায় যুক্ত করে মিলনকে ধৃত হিসাবে দেখানো হয়েছে। সেই মামলায় ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজত হয়েছে। এই কথা শুনে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি। রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট অবশ্য যুক্তি দেন যে, আদালতের নির্দেশের আগেই ওই পদক্ষেপ করা হয়েছিল।
খেজুরি থানার মামলায় মিলন প্রধানকে গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছেনিবিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ২০০৭-এর খেজুরি থানার মামলায় মিলনকে গ্রেফতার দেখানো যাবে না বলে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। আদালত জানাল, ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই মামলায় কড়া কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
গতকালই নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। সেই নিয়ে বিচারপতি ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, '২০০৭-এর মামলা, ২০২৬-এর ১৯ সেপ্টেম্বর পুলিশের মনে হল যে Production Warrant জারি করা প্রয়োজন?' রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি আরও বলেন, 'নির্বাচনে লড়তে দিন।' মিলন প্রধান নোটিস পেয়েছেন এমন কোনও নথি রাজ্য সরকার আদালতে আজ পেশ করতে পারেনি বলেও জানান বিচারপতি।