Canning Home Guard Death: ক্যানিংয়ে হোমগার্ড তরুণীর মৃত্যুর নেপথ্যে সাব-ইনস্পেক্টরের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক? চাঞ্চল্যকর তথ্য

ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয়েছিল বছর ২২-এর মহিলা হোমগার্ডের দেহ। আর সেই ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ওই থানারই সাব-ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টচার্যকে। তিনিই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত।

Advertisement
ক্যানিংয়ে হোমগার্ড তরুণীর মৃত্যুর নেপথ্যে সাব-ইনস্পেক্টরের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক? চাঞ্চল্যকর তথ্যক্যানিংয়ে হোম গার্ডের রহস্যমৃত্যু
হাইলাইটস
  • ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয়েছিল বছর ২২-এর মহিলা হোমগার্ডের দেহ
  • আর সেই ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ওই থানারই সাব-ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টচার্যকে
  • তিনিই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত

ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয়েছিল বছর ২২-এর মহিলা হোমগার্ডের দেহ। আর সেই ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল ওই থানারই সাব-ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টচার্যকে। তিনিই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত।

৩১ ডিসেম্বর তাকে প্রথমে বারাসতের স্বরূপনগর থেকে আটক করা হয়। আর ১ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

ঘটনাটা কী?

ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয়েছিল ওই থানারই হোমগার্ড হিসেবে কর্মরত পারভিন মোল্লার। তিনি রেশমি নামেই পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার থানার পিছনের কোয়ার্টারে গিয়েছেন রেশমি। তবে এরপরই বিপত্তির সূত্রপাত। তিনি আর ফিরে আসেননি থানায়। এমনকী বাড়িও যাননি।

এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যেরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁরা বারবার যোগাযোগের চেষ্টাও করেন। তবে কোনও জবাব মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগে পড়ে যান রেশমির বাড়ির সদস্যেরা।

আর সেই কারণেই রেশমির বোন রুকসানা খাতুন দিদির কোয়ার্টারে পৌঁছে যান। তিনি সেখানে গিয়ে দিদির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে। তখন খবর যায় পুলিশে। পুলিশ এসে রেশমির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পাশাপাশি শুরু করে তদন্ত।

গ্রেফতার হলেন সায়ন

এই ঘটনার পিছনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার সাব ইনস্পেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের হাত রয়েছে বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন রেশমির বাড়ির লোকজন। পরিবারের অভিযোগ ছিল, রেশমির সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল সায়নের। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় সায়নই খুন করে রেশমিকে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তারপর গতকাল আটক করা হয় সায়নকে। আজ করা হল গ্রেফতার।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, রেশমির বাবা দুইবছর আগে পঞ্চায়েত ভোটের সময় খুন হন। সেই ঘটনার জন্য রেশমির চাকরি হয়। তারপর তিনি সায়নের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং খুন হন বলেই অভিযোগ।

Advertisement

যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও রেশমির খুনের বিষয়ে বিশদে মুখ খোলা হয়নি। তদন্ত চলছে বলেই জানা গিয়েছে।

POST A COMMENT
Advertisement