গঙ্গাসাগরে গঙ্গান্ন ও সাগরকন্যা ঘোষণা মমতার, কী সুবিধা হবে?

মুড়িগঙ্গা নদীর উপর প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্য়াস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সেতু তৈরি হয়ে গেলে গঙ্গাসাগর যেতে আর নদীপথে ভাসতে হবে না পুণ্যার্থীদের। সোজাসুজি সড়কপথেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সাগর দ্বীপ তথা কপিল মুনির আশ্রমে।

Advertisement
গঙ্গাসাগরে গঙ্গান্ন ও সাগরকন্যা ঘোষণা মমতার, কী সুবিধা হবে?গঙ্গাসাগরে গঙ্গান্ন ও সাগরকন্যার সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর
হাইলাইটস
  • মুড়িগঙ্গা নদীর উপর প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্য়াস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • সোজাসুজি সড়কপথেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সাগর দ্বীপ তথা কপিল মুনির আশ্রমে।
  • পাশাপাশি গঙ্গাসাগর থেকেই আরও দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুড়িগঙ্গা নদীর উপর প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্য়াস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সেতু তৈরি হয়ে গেলে গঙ্গাসাগর যেতে আর নদীপথে ভাসতে হবে না পুণ্যার্থীদের। সোজাসুজি সড়কপথেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সাগর দ্বীপ তথা কপিল মুনির আশ্রমে।

পাশাপাশি গঙ্গাসাগর থেকেই আরও দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গঙ্গাসাগরে এদিন ১০০টি বেডের একটি ডরমেটারি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে সাগরকন্যা। পর্যটকেরা এসে এই জায়গায় থাকতে পারবেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া, এদিন গঙ্গান্ন প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের আওতায় আরও ২০টি ট্যুরিজম কটেজ তৈরি করা হয়েছে।  মমতা বলেন, নবান্নের সঙ্গে মিলিয়েই নাম রাখা হয়েছে গঙ্গান্ন।

মুড়িগঙ্গার ব্রিজের বিষয়ে জানুন

মুড়িগঙ্গার উপর এই ব্রিজটি হতে চলেছে  ৪.৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের সেতু। ব্রিজের দু'দিকে থাকবে ১.৫ মিটার চওড়া ফুটপাত। সোমবার দুপুর ২টোর পর এই সেতুর শিলান্যাস করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী চার বছরের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। মোট আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা। 

ইতিমধ্যে সেতুর নকশাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।  দায়িত্বে থাকছে নির্মাণ সংস্থা এল অ্যান্ড টি। জানা গিয়েছে, সেতুটি দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা নিবেদিতা সেতুর আদলে তৈরি করা হবে। শুধু তাই নয়, সেতু নির্মাণে জমির অধিগ্রহণের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। গঙ্গাসাগর সেতুর জন্য কাকদ্বীপের অংশে ৭.৯৫ একর এবং কচুবেড়িয়া অংশে ৫.০১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বাকি জমি অধিগ্রহণের কাজ খুব শীঘ্রই শেষ করা হবে বলে খবর।  

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সাগরের মাটিতেই দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের উদ্যোগে এই সেতু তৈরির ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের দিকে আর চাতক পাখি হয়ে লাভ নেই, রাজ্য সরকারই নিজের উদ্যোগে গঙ্গাসাগর সেতু গড়ে তুলবে। তারপর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক বছর। অবশেষে শিলান্যাস হল এই সেতুর।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, '২০১১ সালের আগে গঙ্গাসাগরের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত খারাপ। আমরা এই এলাকার ব্যাপক উন্নতি সাধন ঘটিয়েছি। তিনটি হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে। এবার তৈরি হচ্ছে এই সেতু।'

 

POST A COMMENT
Advertisement