খানাকুলের একাধিক গ্রামে হু হু করে ঢুকছে জল, বন্ধ ফেরি সার্ভিস চিন্তায় প্রশাসনফের ডিভিসির ছাড়া জলে ভাসছে বাংলার কয়েকটি গ্রাম। এমনিতেই বর্ষার মরশুমে কমবেশি-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। তারমধ্যে ঝাড়খণ্ডে অতিবৃষ্টির জেরে লাগাতার জল ছেড়েছে ডিভিসি। সেই জল হুগলির খানাকুলের নদীগুলিতে প্রবেশ করতেই প্লাবিত হতে শুরু করেছে নিচু এলাকাগুলি। জলে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘুরছে সাপ। ডিঙি নৌকায় চেপে চলছে যাতায়াত।
নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়তে থাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য খানাকুলের নদীগুলিতে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এর ফলে বহু জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ। কোথাও কোথাও অল্প কিছু ফেরি সার্ভিস চললেও তাতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে লাইফ জ্যাকেট।
কোন কোন গ্রামে জল ঢুকল?
খানাকুল-১, জগৎপুর, মাড়োখানা, ধান্যঘোরী পঞ্চায়েতের বেশকিছু গ্রামে ঢুকতে শুরু করেছে জল। বেশকিছু এলাকায় একতলা বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। অনেকে ছাদে ত্রিপল খাটিয়ে বসবাস করছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোথাও হাঁটুজল, কোথাও কোমর সমান জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে মানুষকে। অনেক জায়গায় বাড়ি থেকে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌকা।
মাড়োখানার সুন্দরপুর, চাঁদকুণ্ডু, বউবাজার, বারনন্দনপুর, জগৎপুর-সহ বেশকিছু গ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ালে নিচু এলাকাগুলিতে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- পার্থ রাহা