Durgapur Medical Student Death: দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রের রহস্যমৃত্যু, খুন না আত্মহত্যা?

গতবছর ওড়িশার এক ডাক্তারি চিকিৎসক পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দুর্গাপুরে। ওই ছাত্রী এক বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া ছিলেন। সেই কলেজ ফের শিরোনামে। মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে প্রথম বর্ষের এমবিবিএস ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেছে।

Advertisement
দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রের রহস্যমৃত্যু, খুন না আত্মহত্যা?ধর্ষণের পর এবার ছাত্রের রহস্য মৃত্যু, ফের শিরোনামে দুর্গাপুরের সেই মেডিক্যাল কলেজ

গতবছর ওড়িশার এক ডাক্তারি চিকিৎসক পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দুর্গাপুরে। ওই ছাত্রী এক বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া ছিলেন। সেই কলেজ ফের শিরোনামে। মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে প্রথম বর্ষের এমবিবিএস ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি শনিবার রাতে ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে দুর্গাপুর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা খুলে দেহটি উদ্ধার করে। নিহত ছাত্রের নাম  লাবণ্য প্রতাপ। ২২ বছর বয়সী ওই ছাত্র বিহারের পাটনার বাসিন্দ। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

মৃত ছাত্রের বাবা অনিল কুমার কলেজ প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কলেজ তাকে কিছু জানায়নি। যখন তাঁর ছেলে  ফোন রিসিভ করেনি, তখন তিনি ছেলের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যারা দরজা ভাঙলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বাবার অভিযোগ, কলেজ প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে তথ্য গোপন রেখেছিল। তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগ করেছেন। বলেছেন, বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। বাবার মতে, সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রটি চিন্তিত ছিল। তিনি দাবি করেন, লিখিত পরীক্ষায় প্রায় ৫০ নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও তার ছেলে প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় মাত্র ৫ নম্বর পেয়েছিল। ছাত্রটি তার ফল পুনর্মূল্যায়নের জন্যও আবেদন করেছিল এবং তার পরবর্তী পরীক্ষা ১৯ মার্চ  ছিল।

 বাবার অভিযোগ, কলেজ অধ্যাপকরা ছাত্রটির সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছেন, যার ফলে সে মানসিকভাবে কষ্ট পেয়েছে। ঘটনার পর সহপাঠীরা এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। পুলিশ এখন ছাত্রটির ব্যক্তিগত জীবন, পড়াশোনার চাপ এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তদন্ত করছে। পরিবার এবং বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

দুর্গাপুরের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (পূর্ব) অভিষেক গুপ্ত ফোনে জানিয়েছেন যে পরিবার আসার পর বিস্তারিত তদন্ত করা হবে এবং বিবৃতি রেকর্ড করা হবে। বর্তমানে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, কলেজ কর্তৃপক্ষ ইমেলের মাধ্যমে পুলিশকে ঘটনাটি জানিয়েছিল। পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে তদন্ত করছে, যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement