Nandigram and Rejinagar By Poll: নন্দীগ্রামে রেজাল্টে কোন পার্টি দ্বিতীয় স্থানে থাকবে? রেজিনগর ঘিরে দোলাচল

এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন ভোটগ্রহণ চলছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। রেজিনগরে পুলিশের সঙ্গে বচসা, ধস্তাধস্তির পরে গ্রেফতার করা হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক ও প্রধান হুমায়ুন কবীরকে। রেজিনগরে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জমিতেছিলেন হুমায়ুন কবীর। নওদাতেও জিতেছিলেন। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন। সেই আসনেই উপনির্বাচন চলছে। 

Advertisement
 নন্দীগ্রামে রেজাল্টে কোন পার্টি দ্বিতীয় স্থানে থাকবে? রেজিনগর ঘিরে দোলাচলনন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন
হাইলাইটস
  • কংগ্রেসের কাছে অবশ্যই এটি বড় প্রাপ্তি
  • নন্দীগ্রামে কোন দল দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে?
  • রেজিনগরে কী হতে পারে?

উপনির্বাচনে সাধারাণত শাসকদলই জিতে যায়। মূলত এই ট্রেন্ডই দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনেও কি সেই ট্রেন্ডই বহাল থাকবে? নন্দীগ্রামে বিজেপি যে কয়েক যোজন এগিয়ে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুভেন্দু অধিকারীর গড়। কিন্তু রেজিনগর? সেখানে তো ফ্যাক্টর মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক। 

এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন ভোটগ্রহণ চলছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। রেজিনগরে পুলিশের সঙ্গে বচসা, ধস্তাধস্তির পরে গ্রেফতার করা হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক ও প্রধান হুমায়ুন কবীরকে। রেজিনগরে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জমিতেছিলেন হুমায়ুন কবীর। নওদাতেও জিতেছিলেন। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন। সেই আসনেই উপনির্বাচন চলছে। 

কংগ্রেসের কাছে অবশ্যই এটি বড় প্রাপ্তি

এখন প্রশ্ন হল, নন্দীগ্রামে দ্বিতীয় স্থানে কোন দল থাকবে? এই উপনির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল ও তাদের ভোটপ্রাপ্তি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস ভোট পেয়েছিল মাত্র ০.৩২ শতাংশ। সংখ্যার নিরিখে ৭৯৪টি ভোট। মাত্র ৫ মাসে রাজ্য রাজনীতিতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে গেল, নন্দীগ্রামের মতো হেভিওয়েট আসনে তুমুল চর্চায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। কংগ্রেসের কাছে অবশ্যই এটি বড় প্রাপ্তি। 

নন্দীগ্রামে কোন দল দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে?

নন্দীগ্রামে ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৬.৫৫ শতাংশ ভোট। নিছক কম নয়। এখন তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তার ফায়দা তুলতে পারে কংগ্রেস।  রাজনৈতিক বিশ্লেষণ শুভময় মৈত্র মনে করছেন, নন্দীগ্রামে দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেসের থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তাঁর ব্যাখ্যা, 'নন্দীগ্রামে বিজেপি-র জেতার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। আগের নির্বাচগুলির নিরিখে। এবং তারা ক্ষমতায় আছে। দ্বিতীয় স্থানের ক্ষেত্রে বলব, আগে নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটই সবচেয়ে বেশি ছিল। এখন সেই ভোট সম্ভবত মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূলের পক্ষেই যাবে। সে ক্ষেত্রে মনে করা যেতে পারে, যেহেতু তারা কংগ্রেসকে সমর্থন করছে, সুতরাং, তাদেরই ভাল ফল হওয়ার কথা। বাকি দলগুলি আগেও খুবই সামান্য ভোট পেয়েছিল।'

Advertisement

রেজিনগরে কী হতে পারে?

রেজিনগর নিয়ে এখনও কিন্তু খুব জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না, কোন দল জিতবে। কারণ, এই কেন্দ্রটি মূলত মুসলিম সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। রেজিনগরে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোট চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওদিকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে জিতেছিলেন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ছিল মাত্র ১৭.৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে বিজেপি ২৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। হুমায়ুন কবীর একাই টেনেছিলেন প্রায় ৫২ শতাংশ ভোট।  শুভময় মৈত্রের কথায়,'রেজিনগরে তো প্রথম দুই দল অবশ্যই আম জনতা উন্নয়ন পার্টি, যারা আগের বার জিতেছিল। বিজেপি-ও দ্বিতীয় হয়েছিল। ফলে লড়াইটা আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ও বিজেপি-র মধ্যেই হবে।'  এখন শাসকদল বিজেপি হলেও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের ভোট কোন দিকে যাবে, তা দেখার বিষয়।

POST A COMMENT
Advertisement