Bankura CJP Protest: বাঁকুড়ায় CJP কর্মীর বাবার খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ, রাস্তায় ধর্না, কী পরিস্থিতি?

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পক্ষ থেকে তিনটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, মূল অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃত আব্দুল মাফিজের বাবা মাফিকের স্মৃতিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় তৈরি করতে হবে এলাকায়। তৃতীয়ত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। সেই কাজে অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

Advertisement
বাঁকুড়ায় CJP কর্মীর বাবার খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ, রাস্তায় ধর্না, কী পরিস্থিতি?বাঁকুড়ায় সিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ
হাইলাইটস
  • ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পক্ষ থেকে তিনটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে
  • মূল অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে
  • মৃত আব্দুল মাফিজের বাবা মাফিকের স্মৃতিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় তৈরি করতে হবে এলাকায়

বাঁকুড়ার ইন্দাসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ঘটনাতেই মঙ্গলবার জেলা শাসকের দফতরে বিক্ষোভ ও ধর্নায় বসল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। তাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। এছাড়া আরও দু'টি দাবি রয়েছে তাদের।

ঘটনা কী?
ঘটনাটি ১৩ অগাস্টের। অভিযোগ, ওই দিন ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-এর এক কর্মীর বাবাকে মারধর করা হয়। মারের আঘাতে ঘায়েল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর আন্দোলিত হয় গোটা রাজ্য। আর ঘটনার পর বেশ কিছুটা সময় কেটে গেলেও এখনও মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে সিজেপির কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগ করছে, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীরা রয়েছে। তাই পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সেই মতো শুরু হয়েছে নতুন আন্দোলন।

বড় মিছিল
এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র কর্মী ও সমর্থকেরা একাধিক দাবিতে জেলা শাসকের দফতরের উদ্দেশে  মিছিল করেন। তবে দফতরের কাছে পৌঁছতেই ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। এই সময় পুলিশের বাধার মুখে সিজেপি কর্মীরা সেখানেই রাস্তায় বসে পড়েন। তাঁরা ধর্না শুরু করেন।

কী কী দাবি?
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পক্ষ থেকে তিনটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, মূল অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃত আব্দুল মাফিজের বাবা মাফিকের স্মৃতিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় তৈরি করতে হবে এলাকায়। তৃতীয়ত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। সেই কাজে অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

আন্দোলনকারী নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় পুলিশ নানাভাবে তাঁদের কর্মীদের বাধা দিয়েছে। এছাড়াও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিনিধিদের দাবি, আন্দোলন রোধ করতে কর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

দলের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, পুলিশ ও প্রশাসনের এই ধরনের হুমকির সামনে তারা পিছু হটবেন না। মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং তাদের দাবিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এখন দেখার জল ঠিক কতদূর গড়ায়। সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়া হয় কি না। আর একান্তই যদি দাবি না মানা হয়, তাহলে আবার নতুন করে বিক্ষোভ হয় কি না।
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement