Dilip Mondal Arrested: সেই TMC MLA পুরীর হোটেলে গ্রেফতার, পৈলানের বিলাসবহুল বাড়ির মালিক

অবশেষে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল। পুরী থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। দিলীপ মণ্ডল গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পলাতক ছিলেন। এর আগে তাঁর ছেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন।

Advertisement
সেই TMC MLA পুরীর হোটেলে গ্রেফতার, পৈলানের বিলাসবহুল বাড়ির মালিক পুরীর হোটেল থেকে গ্রেফতার দিলীপ মণ্ডল

অবশেষে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল।  পুরী থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। দিলীপ মণ্ডল গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পলাতক ছিলেন। এর আগে তাঁর ছেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে খুঁজতে চলতি মাসের ১৪ তারিখ তাঁর পৈলানের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার বিশাল বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে তড়িঘড়ি গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। খোঁজ চলছিল। অবশেষে পুরীর একটি হোটেল থেকে তাঁকে আটক করল বেঙ্গল এসটিএফ।

গোপন খবরের ভিত্তিতে পুরীর নিউ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন একটি হোটেলে এদিন সকালে অভিযান চালায় বেঙ্গল এসটিএফের বিশেষ দল। সেখান থেকেই দিলীপ মণ্ডলকে আটক করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী সময়ে একটি বিজয় মিছিল থেকে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে । সেই ঘটনার ভিডিয়ো সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় । রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশ ।

তদন্তের স্বার্থে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর ও সংলগ্ন এলাকায় তাঁর একাধিক বাড়িতেও হানা দেয় পুলিশ । বিশেষ করে পৈলানে দিলীপ মণ্ডলের বিশাল অট্টালিকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয় । বাড়ির বিভিন্ন নথি, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা । তবে সেই সময়ও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি ৷

 দিলীপ মণ্ডলের ছেলেকে গ্রেফতার করে  জিজ্ঞাসাবাদ করতেই  একাধিক আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীর ফোন নম্বর হাতে পান তদন্তকারীরা । সেই সূত্র ধরে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ শুরু হয় । তদন্তকারীরা ধীরে ধীরে নিশ্চিত হন যে দিলীপ মণ্ডল রাজ্যের বাইরে কোথাও আত্মগোপন করে রয়েছেন । প্রথম দিকে তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ও যোগাযোগের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, তিনি পুরীর একটি হোটেলে ভুয়ো পরিচয়ে লুকিয়ে রয়েছেন । সেখান থেকেই নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি । খবর নিশ্চিত হতেই মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান শুরু করে এসটিএফ । ওড়িশা পুলিশের সহযোগিতায় যৌথভাবে ওই হোটেলে হানা দেন গোয়েন্দারা । বুধবার ভোররাতে সেখান থেকেই আটক করা হয় দিলীপ মণ্ডলকে ।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement