১৫ হাজার মানুষ ঘরছাড়া, ৩২০০০ বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই, ভয়াবহ অবস্থা বাংলার এই জেলার

East Medinipur Rain: ভারী বৃষ্টির জেরে কার্যত ডুবে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। জলমগ্ন হয়ে রয়েছে জেলার একাধিক এলাকা। প্রায় ৩২ হাজার বাড়িতে নেই বিদ্যুৎ।

Advertisement
১৫ হাজার মানুষ ঘরছাড়া, ৩২০০০ বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই, ভয়াবহ অবস্থা বাংলার এই জেলার১৫ হাজার মানুষ ঘরছাড়া, ৩২০০০ বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই
হাইলাইটস
  • নিম্নচাপের বৃষ্টিতে হাল বেহাল পূর্ব মেদিনীপুরের।
  • ভারী বৃষ্টির জেরে এই জেলার বিস্তীর্ণ অংশ বুধবারেও রয়েছে জলমগ্ন।
  • বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পদক্ষেপ নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

নিম্নচাপের বৃষ্টিতে হাল বেহাল পূর্ব মেদিনীপুরের। টানা কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির জেরে এই জেলার বিস্তীর্ণ অংশ বুধবারেও রয়েছে জলমগ্ন। এখনও গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ফসলেরও। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পদক্ষেপ নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবার হলদিয়ার  হলদিয়া ভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে এই তথ্য জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমেছে পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। প্রবল বৃষ্টিতে বহু মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।" তিনি জানান, বহু মানুষ বাড়ি ছেড়ে  আশ্রয় শিবিরে জায়গা করে নিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরে একাধিক মন্ত্রীকে ওই জেলায় পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বিষয়ে সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। এখনও ৩২,০০০ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়নি। প্রায় ১৫,০০০ মানুষ এখনও আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন। তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেননি। বিশেষ করে সবং ও  নারায়ণগড় বিধানসভা কেন্দ্রের অবস্থা খুবই খারাপ। পনেরো হাজার ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"

এদিন হলদিয়া ভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা-সহ জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্তা, হলদিয়া মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিক এবং হলদিয়ার বিভিন্ন শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে দুর্গতদের সাহায্যে একাধিক সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জেলাজুড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কৃষি, উদ্যানপালন, মৎস্য, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং সেচ দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ভেঙে পড়া মাটির বাড়িগুলির জন্য ২০ হাজার টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ত্রাণ শিবিরে আটকে থাকা পরিবারগুলি বাড়ি ফেরার সময় তাঁদের হাতে অন্তত পাঁচ দিনের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


 

POST A COMMENT
Advertisement