Junput Missile Testing Range: জুনপুটে DRDO-র টেস্টিং কেন্দ্র হলে বিরাট লাভ, কেন বাংলার জন্য এই প্রজেক্ট গুরুত্বপূর্ণ?

জুনপুটে একটি মিসাইল টেস্টিং সেন্টার হলে বাংলার বিপুল পরিমাণে লাভ। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির জন্য এটি একটি বড় প্রজেক্ট।

Advertisement
জুনপুটে DRDO-র টেস্টিং কেন্দ্র হলে বিরাট লাভ, কেন বাংলার জন্য এই প্রজেক্ট গুরুত্বপূর্ণ?জুনপুটে DRDO-র টেস্টিং কেন্দ্র হলে বিরাট লাভ
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রতিরক্ষা খাতে হতে চলেছে বিনিয়োগ।
  • জুনপুটে DRDO-র টেস্টিং সেন্টারের জন্য প্রতিরক্ষা খাতকে জমি অনুমোদন করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
  • দিঘার কাছে জুনপুটে তৈরি হবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র।

পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রতিরক্ষা খাতে হতে চলেছে বিনিয়োগ। জুনপুটে DRDO-র টেস্টিং সেন্টারের জন্য প্রতিরক্ষা খাতকে জমি অনুমোদন করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি খোদ শুভেন্দু অধিকারী এই তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, আগের সরকারের আমলেই এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিল DRDO। রাজ্য সরকারকে তারা বিষয়টি জানিয়ে চিঠিও লিখেছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ। এবার নতুন সরকার আসতেই DRDO-র সেই প্রস্তাব ফের জীবন ফিরে পেল। বাংলার মাটি থেকেই মিসাইল টেস্টিং করতে পারবে DRDO। দিঘার কাছে জুনপুটে তৈরি হবে  নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র।

এই মিসাইল টেস্টিং সেন্টার তৈরি হলে বাংলার কী লাভ?

মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির জন্য এটি একটি বড় প্রজেক্ট।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুনপুটে এই টেস্টিং কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থানীয় অর্থনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই লাভ রয়েছে। রাজ্যের ক্ষেত্রে লাভগুলি হল-

শিল্প ও বিনিয়োগের সুযোগ:  

DRDO-র মতো ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার এই মেগা প্রজেক্টের হাত ধরে জুনপুট -হলদিয়া অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য সহযোগী নানা সংস্থা বা MSME ও লজিস্টিকস হাব গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। 

স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়ন: 

এরকম একটি টেস্টিং হাব গড়ে উঠলে  ওই এলাকা সংলগ্ন এলাকার রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, উন্নত যোগাযোগ এবং পরিবহণ ব্যবস্থার ব্যাপক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। ফলে ওই এলাকার ভোল বদলে যেতে পারে।

কর্মসংস্থান ও ব্যবসা বৃদ্ধি: 

পরীক্ষাকেন্দ্র নির্মাণের সময় থেকে শুরু করে এটি চালু হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় স্তরে নির্মাণ, পরিবহণ, লজিস্টিকস এবং নানা ধরণের পরিষেবা খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা পূর্ব মেদিনীপুরের সামগ্রিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement