Heavy Rain Alert: মুষলধারে এই বৃষ্টি চলবে আর কতদিন? প্লাবনের সতর্কতা একাধিক জেলায়

সোম- মঙ্গল পেরিয়ে বুধবারও চলছে বৃষ্টি। এদিনও ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাগুলি। নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভরী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কতদিন চলবে এই দুর্যোগ? চলুন জেনে নেওয়া যাক হাওয়া অফিসের লেটেস্ট আপডেট।

Advertisement
 মুষলধারে এই বৃষ্টি চলবে আর কতদিন? প্লাবনের সতর্কতা একাধিক জেলায় কেমন থাকবে ২৩ জেলার আবহাওয়া?

সোম- মঙ্গল পেরিয়ে বুধবারও চলছে বৃষ্টি। এদিনও ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাগুলি। নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায়  দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভরী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কতদিন চলবে এই দুর্যোগ? চলুন জেনে নেওয়া যাক হাওয়া অফিসের লেটেস্ট আপডেট।

 রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস
বুধবার দুপুরে ভারী বৃষ্টি শুরু হয় শহর কলকাতায়। সেইসঙ্গে চলতে থাকে ঘন ঘন বজ্রপাতও।   হাওয়া অফিস বলছে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এই মুহূর্তে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর উপকূলীয় ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাংলার আকাশ থেকে দুর্যোগ এখনই সরবে না।  নিম্নচাপের জেরে বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বুধবার পশ্চিমের তিন জেলা অর্থাৎ পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

নিম্নচাপের বর্তমান অবস্থা
 উপকূলের উত্তর ওড়িশা, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওপরে যে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে পশ্চিম ঝাড়খণ্ডের দিকে সরে গিয়েছে। কিন্তু তাতেও বিপদ কাটছে না বাংলার। নিম্নচাপ ঝাড়খণ্ডে সরে যাওয়া, আজ সেখানে ভারী বৃষ্টি হবে। কিন্তু তাতেও বিপদ কাটছে না বাংলার। নিম্নচাপ ঝাড়খণ্ডে সরে যাওয়া, আজ সেখানে ভারী বৃষ্টি হবে। ফলে ডিভিসি-ও জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত ডিভিসি ৭০ হাজার কিউসেক হারে জল ছেড়েছে। দুর্গাপুর বারাজ থেকে ৮৫,২০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের জলে প্লাবনের জোর আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে। বন্যার হলুদ সতর্কতা জারি করেছে ডিভিসি।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া
হাওয়া অফিস জানিয়েছে আজ দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলা বীরভূম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে সব জেলায়। সন্ধ্যার পর থেকে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগ কাটার সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপ উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করায় সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাস্প সমতলে প্রবেশ করছে। ফলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে বলে খবর। 

Advertisement

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচটি জেলা, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বৃষ্টিপাত বাড়বে। বিশেষ করে শুক্রবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

কলকাতার পরিস্থিতি
কলকাতায় আকাশ আজ মোটের উপর মেঘলা। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা আজও থাকছে কলকাতায়। কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে দু’এক পশলা ভারী বৃষ্টি হতে পারে।  আগামিকাল, বৃহস্পতিবার থেকে শহরে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে বলে খবর। 

ভাদ্র মাসে কেন এই বৃষ্টি?
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি রবিবারই সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়। স্থলভাগে প্রবেশের পরে নিম্নচাপের কেন্দ্র ছিল গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপরেই। এর পাশাপাশি, জম্মু থেকে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি মৌসুমি অক্ষরেখাও অবস্থান করছিল। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো এই অক্ষরেখার অবস্থান ছিল নিম্নচাপের কেন্দ্রের মধ্যে দিয়েই। এ ছাড়াও, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্তও অবস্থান করছে। এই তিন জোরালো ওয়েদার সিস্টেমের প্রভাবেই বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হয়ে ভারী বৃষ্টি হয়েছে বঙ্গে। 


 

POST A COMMENT
Advertisement